এসআইআর (SIR in West Bengal) শুনানিতে কেন ডাকা হয়েছে! এই অভিযোগে বিএলওকে বেধড়ক মার (BLO Attack) মদ্যপ যুবকের। একেবারে চুলির মুঠি ধরে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় গুরুতর আহত বিএলও অনুপমা পাল। শুধু তাই নয়, ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তিনি। এমনকী বিএলওর কাজ থেকেও অব্যাহতি চান আক্রান্ত অনুপমা। ইতিমধ্যে অভিযুক্ত আমিন নস্করকে গ্রেপ্তার করেছে বারুইপুর থানার পুলিশ।
আরও পড়ুন:
এসআইআর নিয়ে মানুষের মধ্যে হয়রানির শেষ নেই। ছোটখাটো বিষয়েও এসআইআর (SIR in West Bengal) সংক্রান্ত শুনানির জন্য সাধারণ মানুষকে ডাকা হচ্ছে বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, অসহ্য কাজের চাপ নিয়ে সরব হয়েছেন বিএলওরা। এর মধ্যেই কেন এসআইআরে ডাকা হয়েছে? সেই অভিযোগে কর্মরত অবস্থায় এক বিএলওকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ মদ্যপ যুবকের বিরুদ্ধে। জানা যায়, শংকরপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েতের দুর্গ এলাকায় এসআইআরের কাজ করছিলেন অনুপমাদেবী। অভিযোগ, সেই সময় পিছন থেকে এসে তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। ঘটনার জেরে গুরুতর আহত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন বিএলও অনুপমা পাল।
ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে আসে বারুইপুর থানার পুলিশ। দ্রুত আক্রান্ত অনুপমা পালকে উদ্ধার করে বারুইপুর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। ইতিমধ্যে ঘটনায় বারুইপুর থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন ওই বিএলও। অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্ত আমিন নস্করকে। ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন অনুপমাদেবী। এমনকী বিএলওর কাজ থেকেও অব্যাহতি চান বলে জানিয়েছেন।
অনুমান পাল বলেন, ”শুনানির নোটিস দেওয়ার কাজ করছিলাম। সেই সময় মত্ত অবস্থায় এক ব্যক্তি আমার মাথার পিছনে এসে আঘাত করে। কোনওভাবেই ওই ব্যক্তিকে আটকানো যাচ্ছিল না।” ঘটনার পর থেকেই আতঙ্কিত আক্রান্ত ওই বিএলও। তিনি জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে কাজ চালানো সম্ভব হচ্ছে না। কাজ থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করার কথাও ভাবছেন বলে জানান অনুপমা পাল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘স্যাটা ভাঙা’ মারের হুমকি, হুমায়ুনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের বিজেপি যুব মোর্চার
-
দেশঁর মায়ের মৃত্যুতে শ্রদ্ধা জানাতে চেয়েছিলেন এমবাপেরা, কোন যুক্তিতে নাকচ করল ফিফা?
-
‘লাইনে আনার দায়িত্বটা আমাদের’, মহরমের মিছিলে অস্ত্র নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু
-
ভেনেজুয়েলা বিপর্যয়ের মধ্যেই জোরাল ভূমিকম্পে কাঁপল দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর, আতঙ্কে হুড়োহুড়ি
-
থ্রেট কালচারে ভিত হেডমাস্টার! স্কুলে গুদাম তৃণমূল ‘দাদা’র, পালাবদলের পর উদ্ধার করল গ্রামবাসীরা