SIR

এসআইআরে নাম বাদ নিয়ে ক্ষোভ! ঘাটাল-পাঁশকুড়া রাজ্য সড়ক অবরোধ বিক্ষোভকারীদের

অবরোধের জেরে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণরূপে স্তব্ধ হয়ে পড়ে। চরম ভোগান্তির শিকার হন নিত্যযাত্রীরা।

Advertisement
তন্ময় ভট্টাচার্য
তন্ময় ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০২৬, ২০:০৫

options
link
এসআইআরে নাম বাদ নিয়ে ক্ষোভ! ঘাটাল-পাঁশকুড়া রাজ্য সড়ক অবরোধ বিক্ষোভকারীদের
শুক্রবার, ২৭ মার্চ। ঘাটাল-পাঁশকুড়া রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ। নিজস্ব ছবি।

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন তথা এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম বাদ যাওয়ার প্রতিবাদে পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর-১ নম্বর ব্লকের হবিবপুর এলাকায় উত্তেজনা ছড়াল। এই নিয়ে শুক্রবার দুপুরে ঘাটাল-পাঁশকুড়া রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। এর জেরে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণরূপে স্তব্ধ হয়ে পড়ে। চরম ভোগান্তিতে পড়েন নিত্যযাত্রী থেকে শুরু করে পণ্যবাহী গাড়ির চালকেরা। পরে পুলিশের আশ্বাসে ওঠে অবরোধ। অন্যদিকে, ঘাটাল ব্লকের ৬ নম্বর মোহনপুর এলাকার মূলগ্রামে প্রায় ৫০০ জন ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ যাওয়ায় সরব হয়েছেন এলাকাবাসী।

Advertisement

হবিবপুরের রসুলপুর বুথে প্রায় ১১২ জন ভোটারের নাম এখনও ‘আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন’-এ রয়েছে। বিষয়টির নিষ্পত্তি না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছিল এলাকাবাসীর মধ্যে। এরই প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুরে হঠাৎ রাস্তায় নেমে রাজ্য সড়ক অবরোধ শুরু করেন তাঁরা। অবরোধের জেরে দুই লেনেই গাড়ির দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। দীর্ঘক্ষণ পুলিশের সঙ্গে আলোচনার পর অবরোধ তুলে নেন আন্দোলনকারীরা। এরপর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয় যান চলাচল। অন্যদিকে, ঘাটাল ব্লকেরই ৬ নম্বর মোহনপুর এলাকার মূলগ্রামে প্রায় ৫০০ জন ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে। প্রকাশিত তালিকায় দেখা যাচ্ছে, মূলগ্রামের ১৯১ নম্বর বুথে ২২৮ জন, ১৯২ নম্বর বুথে ৬৪ জন এবং ১৯৩ নম্বর বুথে ১৯৯ জনের নাম সংশোধিত তালিকায় নেই। অর্থাৎ শুধুমাত্র একটি গ্রামেই প্রায় ৫০০ জন নাগরিক তাঁদের ভোটাধিকার হারিয়েছেন। খড়ার পৌরসভার ৪৬ জন ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এর মধ্যে ৪০ জনই মুসলিম ভোটার। এই ঘটনায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন স্থানীয়রা। নাম বাদ পড়ার তালিকায় মূলগ্রাম ছাড়াও ধর্মপুর, সিমুলিয়া, মান্দারিয়া, গাজিরহাট, সুন্দরপুর, মারিচ্চা, লছিপুর, সোলাগেড়ের মতো একাধিক সংখ্যালঘু প্রধান গ্রামের নাম রয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এক বিক্ষোভকারী শেখ নুর ইসলাম বলেন, “আমাদের নামের এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। দু’দিনের মধ্যে যদি প্রশাসনের তরফে সদুত্তর পাওয়া না যায়, তবে আমরা ফের বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব।” ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হলে আগামীদিনে আরও বৃহত্তর বিক্ষোভের ইঙ্গিত দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন