Gorumara National Park

ফাল্গুনে জঙ্গলে দাবানলের আশঙ্কায় সতর্ক বনদপ্তর, সুখটানে নিষেধাজ্ঞা গরুমারায়

অতীতের নানান ঘটনাক্রম মাথায় রেখে এবার আগেভাগেই সতর্ক বন বিভাগ। প্রতিটি জঙ্গলে তৈরি করা হয়েছে ফায়ার ওয়াচার টিম।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১৫:২৩

options
link
ফাল্গুনে জঙ্গলে দাবানলের আশঙ্কায় সতর্ক বনদপ্তর, সুখটানে নিষেধাজ্ঞা গরুমারায়
ফাইল ছবি।

ফাল্গুনে আগুনের আশঙ্কায় অতি সতর্কতা বন বিভাগে। ডুয়ার্সের অন্যতম বন্যপ্রাণী অধ্যুষিত গরুমারা জাতীয় উদ্যানের (Gorumara National Park) গা ঘঁষে বয়ে চলা ৭১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের ৯ কিলোমিটার রাস্তা নো স্মোকিং জোন ঘোষণা করে ধূমপানে কার্যত না ঘোষনা করে দিল বন দপ্তর। চলছে সচেতনতার প্রচার। নিষেধাজ্ঞা না মানলে জরিমানার পাশাপাশি আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে বনদপ্তর। 

Advertisement

ফাগুন মানেই ঝরাপাতা, বসন্ত বিলাপ আর রঙের মাস নয়। বনবিভাগের কাছে ফাল্গুন মানেই আগুনের আশঙ্কা। প্রাকৃতিক নিয়মে গাছ থেকে ঝরে পড়ে থাকা শাল, শেগুনের পাতা চিত্তাকর্ষক হলেও চিন্তার ও যথেষ্ট কারন রয়েছে এর পেছনে। প্রায় প্রতি বছরই কম বেশি আগুন লাগার ঘটনা ঘটে ডুয়ার্সের জঙ্গলে। কখনও তা ভয়াবহ আকার ধারন করে। এর পেছনে কিছুটা অবহেলা আবার সুপরিকল্পিত ভাবেও আগুন লাগানো হয় বলেও অভিযোগ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ফাগুন মানেই ঝরাপাতা, বসন্ত বিলাপ আর রঙের মাস নয়। বনবিভাগের কাছে ফাল্গুন মানেই আগুনের আশঙ্কা। প্রাকৃতিক নিয়মে গাছ থেকে ঝরে পড়ে থাকা শাল, শেগুনের পাতা চিত্তাকর্ষক হলেও চিন্তার ও যথেষ্ট কারন রয়েছে এর পেছনে।

অতীতের নানান ঘটনাক্রম মাথায় রেখে এবার আগেভাগেই সতর্ক বন বিভাগ। প্রতিটি জঙ্গলে তৈরি করা হয়েছে ফায়ার ওয়াচার টিম। ঝরাপাতার এই মরশুমে জঙ্গলের আনাচে-কানাচে নজর থাকবে অগ্নিনির্বাপণ এই দলের সদস্যরা। এদের সঙ্গে থাকছে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র পোর্টেবল ওয়াটার পাম্প এবং ব্লোয়ার। গরুমারা বন্যপ্রাণী বিভাগের সহকারী বনাধিকারিক রাজীব দে জানান, জঙ্গলের যেকোনও প্রান্তে আগুনের খবর পেলে দমকল কর্মীরা পৌঁছনোর আগে পর্যন্ত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন যাতে আর ছড়াতে না পারে তার জন্য পদক্ষেপ করা হবে।

Advertisement

বনবিভাগের পর্যবেক্ষন রিপোর্ট বলছে, ফাল্গুন, চৈত্র মাসের এই সময় যখন জঙ্গল পথের দুপাশ ঝড়া পাতায় ভরে থাকে তখন এই পথ দিয়ে চলাচল করা কিছু মানুষ দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দেয়। ধূপপান করে বিড়ি, সিগারেটের টুকরো ছুড়ে ফেলে দিয়ে যায়। যা বিপদের কারন হয়ে দাঁড়ায়। আর রয়েছে জঙ্গল সংলগ্ন এলাকার কিছু মানুষ, যারা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য পরিকল্পিত ভাবে এই সময় শুকনো পাতায় আগুন ধরিয়ে দেয়। পাতা পুড়ে সাফ হয়ে যায় জঙ্গলের একটা বড় অংশ। সেই অংশে বৃষ্টির জল পড়ে নতুন ঘাস জন্মায়। এই ঘাস গবাদি পশুর খাবার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এই প্রবণতা বন্ধ করতে জঙ্গল সংলগ্ন লোকালয়ে প্রচার অভিযান শুরু করেছে বন দপ্তর। ফায়ার ওয়াচার টিমে বন কর্মীদের পাশাপাশি বন সংলগ্ন এলাকার যুবকদের যুক্ত করা হয়েছে।

বনবিভাগের পর্যবেক্ষন রিপোর্ট বলছে, ফাল্গুন, চৈত্র মাসের এই সময় যখন জঙ্গল পথের দুপাশ ঝড়া পাতায় ভরে থাকে তখন এই পথ দিয়ে চলাচল করা কিছু মানুষ দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দেয়। ধূপপান করে বিড়ি, সিগারেটের টুকরো ছুড়ে ফেলে দিয়ে যায়। যা বিপদের কারন হয়ে দাঁড়ায়। আর রয়েছে জঙ্গল সংলগ্ন এলাকার কিছু মানুষ, যারা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য পরিকল্পিত ভাবে এই সময় শুকনো পাতায় আগুন ধরিয়ে দেয়

পাশাপাশি ময়নাগুড়ি থেকে চালসা গামী ৭১৭ নম্বর জাতীয় সড়কে গরুমারা ও জলপাইগুড়ি বনবিভাগের ৯ কিলোমিটার পথকে এই সময় বিশেষ ভাবে স্পর্শকাতর ধরে নিয়ে নজরদারি কয়েক গুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। গরুমারার দক্ষিণ রেঞ্জের রেঞ্জ অফিসার ধ্রুবজ্যোতি বিশ্বাস জানান, ৯ কিলোমিটার এই পথ দিয়ে ছোট বড় মিলিয়ে কয়েক শো গাড়ি চলাচল করে। চালক ও যাত্রীদের সতর্ক করা হচ্ছে। এই নয় কিলোমিটার রাস্তায় কেউ যাতে সিগারেট বা বিড়ির জলন্ত অংশ জঙ্গলে না ফেলে এই নিয়ে প্রচার কর্মসূচি চালাচ্ছেন তারা। কেউ যদি নিষেধাজ্ঞা না মানে সে ক্ষেত্রে কড়া পদক্ষেপেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছে বনদপ্তর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন