এবার কার্টুন দেখানোর নাম করে শিশুকন্যাকে যৌন নির্যাতন

প্রৌঢ় প্রতিবেশীর হাত থেকেও রেহাই নেই দুধের শিশুর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯, ১৮:৫৬

options
link
এবার কার্টুন দেখানোর নাম করে শিশুকন্যাকে যৌন নির্যাতন
ছবি: প্রতীকী

দেবব্রত মণ্ডল: জি ডি বিড়লার ঘটনায় যখন গোটা রাজ্য উত্তাল, তখনই সামনে আসছে একের পর এক শিশুর উপর যৌন নির্যাতনের খবর। হুগলির পর এবার সোনারপুর। ফের যৌন নির্যাতনের শিকার এক পাঁচ বছরের শিশুকন্যা।

Advertisement

আপাতত খুলছে না জি ডি বিড়লা, বুধবার বিকেল পর্যন্ত সময় চাইল কর্তৃপক্ষ ]

Advertisement

ঘটনা সোনারপুরে বিদ্যাধরপুরের। অভিযোগ, পাঁচ বছরের শিশুকন্যাটিকে কার্টুন দেখানোর নাম করে ডেকে নিয়ে যায় স্বপন চক্রবর্তী নামে এক প্রৌঢ়। টিভিতে কার্টুন দেখার লোভে শিশুটিও প্রতিবেশী প্রৌঢ়ের সঙ্গে চলে যায়। অভিযোগ, সেখানেই যৌন হেনস্তার শিকার হয় শিশুটি। বেশ কিছুক্ষণ পেরিয়ে গেলেও শিশুটি বাড়ি না ফেরায় সন্দেহ হয় তার মায়ের। প্রতিবেশীর বাড়ির সামনে শিশুটির জুতো দেখতে পান তিনি। নাম ধরে ডাকতেই কেঁদে ওঠে শিশুটি। ভিতরে গিয়ে প্রৌঢ়কে হাতেনাতে ধরে ফেলেন শিশুটির মা। দুধের শিশুর উপর সেই সময় যৌন নির্যাতন চালাচ্ছিল ওই প্রৌঢ়।

Advertisement

স্কুল বন্ধ হবে না, জি ডি বিড়লা কাণ্ডে রাজনীতিতে আপত্তি মমতার ]

সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার করে অন্য প্রতিবেশীদের ডাকেন তিনি। যৌন নির্যাতনের খবর পেয়েই ওই প্রৌঢ়কে উত্তম-মধ্যম দেন প্রতিবেশীরা। তারপর তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। গ্রেপ্তার করা হয় ওই প্রৌঢ়কে। জানা যাচ্ছে, শিশুটির শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। তবে নিম্নাঙ্গে আঘাত আছে তার। ফলে তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। বাড়িতেই চিকিৎসা চলছে শিশুটির। ধৃতকে আজ পেশ করা হবে বারুইপুর আদালতে।

অভিভাবকদের আন্দোলন বানচাল করতে জি ডি বিড়লায় ‘বহিরাগত’! ]

প্রসঙ্গত, হুগলির বাঁশবেড়িয়াতেও  ছ’বছরের এক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত দেবব্রত মিশ্র নামে এক শিক্ষক। মঙ্গলবারই উত্তেজিত জনতা তাকে বেধড়ক মারধর করে। অভিযোগ, শারীরশিক্ষার নাম করে ওই শিক্ষক প্রথম শ্রেণির ছাত্রীটির গোপনাঙ্গে হাত দেয়। নাবালিকার বাবা প্রথমে এ ঘটনা বিশ্বাস করতে চাননি। কিন্তু শেষমেশ দেখেন, মেয়ে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। তখনই মেয়েকে মগরা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা প্রশ্ন করতেই ঝুলি থেকে বেড়াল বেরিয়ে আসে। শিশুটি জানায়, ব্যায়মের শিক্ষকই তার সঙ্গে অভব্য আচরণ করেছে। জানাজানি হলে তাকে মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়েছে। এরপরই স্কুল কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান নির্যাতিতার বাবা। যদিও তাতে কোনও ফল হয়নি। খবর পেয়ে অন্যান্য ছাত্রছাত্রীর অভিভাবকরা স্কুলে চড়াও হন। পকসো আইনে ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ তাকে চুঁচুড়া আদালতে তোলা হবে।

গোয়েন্দাদের জেরায় ভেঙে পড়লেন ‘ডাকাবুকো’ প্রিন্সিপাল শর্মিলা ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.