বসন্তে ‘শরৎ’ কোলে সিউড়ি থেকে স্পেনে পাড়ি, ‘ঈশ্বরের উপহার’, বলছে স্পেনের দম্পতি

বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুকে দত্তক নিলেন স্পেনীয় দম্পতি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৪, ১৪:১৫

options
link
বসন্তে ‘শরৎ’ কোলে সিউড়ি থেকে স্পেনে পাড়ি, ‘ঈশ্বরের উপহার’, বলছে স্পেনের দম্পতি
শরতকে কোলে নিয়ে স্পেনীয় দম্পতি। ছবি: শান্তনু দাস

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুকেই নিজের ছেলে হিসাবে নিজের দেশে নিয়ে গেলেন স্পেনের দম্পতি। সোমবার সিউড়ির প্রশাসন ভবনে তাঁদের হাতে দেড় বছরের ‘ শরৎ’কে বিদেশি দম্পতির হাতে তুলে দিল জেলা প্রশাসন। শিশু অধিগ্রহণ আইনের ধারা মেনে তাঁদের হাতে তুলে দিতে পেরে খুশি জেলাশাসক বিধান রায়।

Advertisement

জেলাশাসক জানান, বিশ্বব্যাপী যে মানবতার বন্ধন তা বীরভূম থেকে স্পেনে বিস্তৃত হল। শরতকে ছেলে হিসাবে গ্রহণ করে ফ্রান্সিসকো দেবরুজা ফার্নানডেজ প্রিজো বললেন, “এটা আমাদের কাছে ভগবানের উপহার।” নিঃসন্তান দম্পতি তাকে কোলে তুলে নিয়ে জানালেন, “গত ছ বছর ধরে একে কোলে তুলে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছি। আজ তা পূর্ণ হল।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: কুকুরের পাত থেকে বিস্কুট তুলে দলীয় কর্মীকে দিলেন রাহুল গান্ধী! ভাইরাল ন্যায় যাত্রার ভিডিও]

স্পেনের মাদ্রিদে কর্মরত প্রিজো। তিনি কেমিক্যাল সায়েন্সের গবেষক। বায়ো টেকনোলজি ক্ষেত্রে কর্মরত। তাঁর স্ত্রী মার্তাগালা ভারনাস। তিনিও স্পেনের বাধ্যতামূলক স্কুলে ফিজিক্স-কেমিস্ট্রির শিক্ষিকা। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সেন্ট্রাল অ্যাডপটেশন রিসোর্স অথরিটি ওরফে কারা-র পোর্টাল থেকে তাঁরা সিউড়ির এই শিশুটিকে নির্বাচন করেন। এই পোর্টাল থেকেই শিশুদের পছন্দ করেন বিশ্ব নাগরিকরা। জেলাশাসক বিধান রায় জানান, “অ্যাডপ্টেশন আইনের ধারা মেনে আমরা এই দম্পতির যাবতীয় বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে তাদের হাতে এই দেবশিশুকে তুলে দিয়েছি। এইভাবেই বাংলা তথা ভারতের সঙ্গে ফুটবলের দেশের যোগাযোগ আরও নিবিড় হল।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ক্যানসারে আক্রান্ত ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস, বাবাকে দেখতে বাড়ি ফিরছেন হ্যারি]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.