Speaker Rathindra Bose

‘বিরোধীরা বলার সুযোগ পাবেন’, দক্ষিণেশ্বরে সস্ত্রীক পুজো দিয়ে বার্তা স্পিকার রথীন্দ্রের

বিধানসভার অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরদিনই দক্ষিণেশ্বরের মা ভবতারিণীর মন্দিরে যান রথীন্দ্র বোস।

অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: মে ১৬, ২০২৬, ২১:২৮

options
link
‘বিরোধীরা বলার সুযোগ পাবেন’, দক্ষিণেশ্বরে সস্ত্রীক পুজো দিয়ে বার্তা স্পিকার রথীন্দ্রের
দক্ষিণেশ্বরে সস্ত্রীক বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বোস। নিজস্ব চিত্র

বিজেপি সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। বিধানসভায় বিপক্ষ দলের নেতারা “বলার স্পেস” পাবেন। বিরোধী দলনেতাকে দীর্ঘদিন বিধানসভার বাইরে থাকতে হবে না। বিধানসভার অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরদিনই এমনটাই বললেন বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বোস। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, “বিরোধীদের জন্য যে গণতান্ত্রিক স্পেস থাকা দরকার, বলার সময় থাকা দরকার—সবই থাকবে। এটাই গণতন্ত্র, আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি।” শনিবার ফলহারিণী অমাবস্যার পুণ্য তিথিতে সস্ত্রীক পুজো দিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবর্তনকে “মা কালীর আশীর্বাদ” বলেই ব্যাখ্যা করলেন স্পিকার।

Advertisement

বিধানসভার অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরদিনই দক্ষিণেশ্বরের মা ভবতারিণীর মন্দিরে যান রথীন্দ্র বোস। পুজো শেষে মন্দির চত্বরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। সেখানে রাজ্যের সংসদীয় গণতন্ত্র ও বিরোধীদের ভূমিকা নিয়ে পূর্বতন সরকারের সমালোচনা করেন নতুন স্পিকার। তিনি বলেন, “আমরা অন্যান্য সরকারের মতো নই। ২১টি রাজ্যে আমাদের সরকার চলছে। কোথাও এমন পরিস্থিতি হয়নি যে বিরোধী দলনেতাকে ১১ মাস বাইরে থাকতে হয়েছে।”

Advertisement

আরও বলেন, “আমরা সনাতনী। মা কালী আমাদের আরাধ্য দেবতা। মা কালীর আশীর্বাদ মিলেছে বলেই বাংলায় পরিবর্তন হয়েছে।” তাঁর কথায়, পশ্চিমবঙ্গে সনাতনী হিন্দুদের রক্ষা করেছেন মা কালীই। তাই ফলহারিণী অমাবস্যার এই পুণ্য লগ্নে মায়ের চরণে মাথা নত করে তিনি প্রার্থনা করেছেন, “বাংলার সবাই সুখে-শান্তিতে থাকুক, উন্নতি করুক।” দক্ষিণেশ্বরে পুজো সেরে পরে আড়িয়াদহের আদ্যাপীঠে যান রথীন্দ্র বোস। সেখানে সস্ত্রীক আদ্যা মায়ের ভোগ গ্রহণ করেন এবং ব্রহ্মচারী মুরাল ভাইয়ের আশীর্বাদ নেন।

Advertisement

উল্লেখ্য, রাজ্যের সাম্প্রতিক ইতিহাসে এই প্রথম উত্তরবঙ্গের কোনও বিধায়ক পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার হলেন। কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক রথীন্দ্র বোস এবারই প্রথমবার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। পেশায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট রথীন্দ্র দীর্ঘদিন আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিজেপির রাজ্য কমিটির সহ-সভাপতি।  বিধানসভা নির্বাচনে কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিককে ২৩ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত করেন তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.