বিজেপি সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। বিধানসভায় বিপক্ষ দলের নেতারা “বলার স্পেস” পাবেন। বিরোধী দলনেতাকে দীর্ঘদিন বিধানসভার বাইরে থাকতে হবে না। বিধানসভার অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরদিনই এমনটাই বললেন বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বোস। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, “বিরোধীদের জন্য যে গণতান্ত্রিক স্পেস থাকা দরকার, বলার সময় থাকা দরকার—সবই থাকবে। এটাই গণতন্ত্র, আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি।” শনিবার ফলহারিণী অমাবস্যার পুণ্য তিথিতে সস্ত্রীক পুজো দিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবর্তনকে “মা কালীর আশীর্বাদ” বলেই ব্যাখ্যা করলেন স্পিকার।
আরও পড়ুন:
বিধানসভার অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরদিনই দক্ষিণেশ্বরের মা ভবতারিণীর মন্দিরে যান রথীন্দ্র বোস। পুজো শেষে মন্দির চত্বরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। সেখানে রাজ্যের সংসদীয় গণতন্ত্র ও বিরোধীদের ভূমিকা নিয়ে পূর্বতন সরকারের সমালোচনা করেন নতুন স্পিকার। তিনি বলেন, “আমরা অন্যান্য সরকারের মতো নই। ২১টি রাজ্যে আমাদের সরকার চলছে। কোথাও এমন পরিস্থিতি হয়নি যে বিরোধী দলনেতাকে ১১ মাস বাইরে থাকতে হয়েছে।”
আরও বলেন, “আমরা সনাতনী। মা কালী আমাদের আরাধ্য দেবতা। মা কালীর আশীর্বাদ মিলেছে বলেই বাংলায় পরিবর্তন হয়েছে।” তাঁর কথায়, পশ্চিমবঙ্গে সনাতনী হিন্দুদের রক্ষা করেছেন মা কালীই। তাই ফলহারিণী অমাবস্যার এই পুণ্য লগ্নে মায়ের চরণে মাথা নত করে তিনি প্রার্থনা করেছেন, “বাংলার সবাই সুখে-শান্তিতে থাকুক, উন্নতি করুক।” দক্ষিণেশ্বরে পুজো সেরে পরে আড়িয়াদহের আদ্যাপীঠে যান রথীন্দ্র বোস। সেখানে সস্ত্রীক আদ্যা মায়ের ভোগ গ্রহণ করেন এবং ব্রহ্মচারী মুরাল ভাইয়ের আশীর্বাদ নেন।
উল্লেখ্য, রাজ্যের সাম্প্রতিক ইতিহাসে এই প্রথম উত্তরবঙ্গের কোনও বিধায়ক পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার হলেন। কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক রথীন্দ্র বোস এবারই প্রথমবার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। পেশায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট রথীন্দ্র দীর্ঘদিন আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিজেপির রাজ্য কমিটির সহ-সভাপতি। বিধানসভা নির্বাচনে কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিককে ২৩ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত করেন তিনি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
পালিয়েও বাঁচলেন না, বাড়ি ফিরতেই তৃণমূল নেতাকে জুতোপেটা মহিলাদের! ভাইরাল ভিডিও
-
এবার সিনেপর্দায় জুবিনের স্মৃতিচারণ, জীবনীচিত্রতে অভিনয়ে টলিপাড়ার কোন কোন বাঙালি?
-
অভিন্ন দেওয়ানি বিধির উদ্দেশ্য সন্তানসংখ্যা নির্ধারণ? বিভ্রান্তি দূর করলেন শমীক ভট্টাচার্য
-
তৃণমূল নেতাকে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরাল জনগণ, ডিমথেরাপি! আক্রান্তকে উদ্ধার বিজেপির
-
কী ছিল আর কী হল! বিপর্যয়ের আগে ও পরের আকাশচিত্রে ভেনেজুয়েলার কান্না