Narendrapur Ramkrishna mission

ফ্লাস্কের গরম চা পান, বিশ্বকাপ দেখতে দেখতেই মৃত্যু নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্রের

রামকৃষ্ণ মিশন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে চিকিৎসার বন্দোবস্তে দেরি করার অভিযোগ তুলেছে পরিবার। নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করা হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৬, ২১:২৮

options
link
ফ্লাস্কের গরম চা পান, বিশ্বকাপ দেখতে দেখতেই মৃত্যু নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্রের
নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যু

ফুটবল ছিল তার নেশা। চলছে বিশ্বকাপ। প্রিয় দল ব্রাজিল, প্রিয় ফুটবলার নেইমার। মিশনের নিয়মে সব ম্যাচ দেখা সম্ভব ছিল না। তাই ৩ জুলাই বাড়ি ফিরে দিদির সঙ্গে বসে বাকি ম্যাচ দেখার পরিকল্পনা করেছিল। সেই ফেরা আর হল না। নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র দীপ্তাংশু মাহাতের মঙ্গলবার অস্বাভাবিক মৃত্যুর পর শোকে ভেঙে পড়েছে মধ্যমগ্রামের বঙ্কিমপল্লির পরিবার। কলকাতায় ময়নাতদন্তের পর ছেলের দেহ ফেরার অপেক্ষায় বাবা মনোরঞ্জন মাহাত। বাড়িতে রয়েছেন একমাত্র দিদি মঞ্জিমা। রামকৃষ্ণ মিশন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে চিকিৎসার বন্দোবস্তে দেরি করার অভিযোগ তুলেছে পরিবার।

Advertisement

মঞ্জিমার দাবি, ফ্লাস্কে রাখা চা খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়লেও দীপ্তাংশুকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়নি। পরে দুই ছাত্রের সঙ্গে চিকিৎসকের কাছে পাঠানো হলেও শুরুতেই যথাযথ চিকিৎসা হলে হয়তো পরিস্থিতি অন্যরকম হতে পারত। পরিবারের দাবি, খবর পেয়ে বাবা মিশনে পৌঁছনোর পরও দীপ্তাংশু কথা বলছিল। বাবার মোবাইলে বিশ্বকাপের ম্যাচও দেখেছিল। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই অবস্থার অবনতি হয়। বাবার কাঁধে মাথা রেখেই শেষ নিঃশ্বাস ফেলে সে। সেই দৃশ্যের কথা বলতে গিয়েই বারবার কান্নায় ভেঙে পড়েন দিদি।

Advertisement

তিন বছর আগে মাকে হারিয়েছিল মাহাত পরিবার। এবার চলে গেল একমাত্র ছেলে। মধ্যমগ্রামের নবনালন্দা শিশু বিদ্যাপীঠের প্রাক্তন ছাত্র দীপ্তাংশুর এ বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় বসার কথা ছিল। কয়েকদিন ধরে সর্দি-কাশিতে ভুগলেও বাড়ি ফিরে দিদির সঙ্গে বিশ্বকাপের বাকি ম্যাচ দেখার অপেক্ষায় ছিল সে। সেই অপেক্ষা আর পূরণ হল না। পরিবারের দাবি, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের চিহ্নিত করা হোক।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.