Jhalda

ঝালদায় তপন কান্দু হত্যাকাণ্ড: প্রত্যক্ষদর্শীর মৃত্যুতে পৃথক মামলা, আইসিকে সাড়ে সাত ঘণ্টা জেরা সিবিআইয়ের

দু'দফায় ১০টি প্রশ্নমালা নিয়ে জেরা চলে আইসিকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৪, ২০২২, ২২:১৬

options
link
ঝালদায় তপন কান্দু হত্যাকাণ্ড: প্রত্যক্ষদর্শীর মৃত্যুতে পৃথক মামলা, আইসিকে সাড়ে সাত ঘণ্টা জেরা সিবিআইয়ের

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু হত্যাকাণ্ডের (Tapan Kandu Murder Case) কিনারা করতে অতি তৎপর সিবিআই। বৃহস্পতিবার প্রায় দুটি পর্বে প্রায় সাড়ে সাত ঘণ্টা ধরে ঝালদা থানার আইসি সঞ্জীব ঘোষকে জেরা করল সিবিআই (CBI)। বৃহস্পতিবার প্রথম পর্বে সাড়ে তিন ঘন্টা। দ্বিতীয় পর্বে চার ঘন্টা ধরে জেরা চলে তাঁর। এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তভার নেওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই আইসিকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় তিনি আসেননি।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বৃহস্পতিবার সিবিআইয়ের ঝালদা (Jhalda)বেসক্যাম্পে প্রথম পর্বে সকাল দশটা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত জেরা চলার পর গাড়ি করে বেরিয়ে যান আইসি। দ্বিতীয় পর্বে বিকাল পাঁচটা থেকে আবার জেরা শুরু করেন সিবিআইয়ের আধিকারিক। এই পর্বে চার ঘন্টা ধরে জেরার পর রাত ন’টা নাগাদ তাঁকে ছাড়া হয়। এদিকে, এই খুনের প্রত্যক্ষদর্শী নিরঞ্জন বৈষ্ণবের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তদন্তভার নেওয়া সিবিআই একটি পৃথক মামলা রুজু করে। আর এই মামলার বিষয়টি এদিন তদন্তকারী আধিকারিকরা পুরুলিয়া আদালতে গিয়েও জানিয়ে আসেন। এদিন মৃত প্রত্যক্ষদর্শীর বাড়িতে যান সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। তাঁর বউদি পবিতা বৈষ্ণবের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: Anubrata Mandal: দূরত্ব কাটিয়ে অসুস্থ অনুব্রতকে দেখতে এসএসকেএমে শতাব্দী রায়]

সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, আইসির কাছে আপাতত দশটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। এছাড়া দু’ধাপে ভাইরাল (Viral) হওয়া অডিওর বিষয়টিও রয়েছে –

১.কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু খুন হয়েছেন এটা তিনি কখন এবং কীভাবে জানলেন ?
২. এই ঘটনা জানার পর তিনি কি পদক্ষেপ নিলেন ?
৩. ঘটনার এক ঘণ্টার মাথায় কোন ঝালদার এক রাজনৈতিক দলের নেতাকে ফোন করে কি ভাবে বললেন যে এটা দীপক ঘটিয়ে দিল ?
৪. ঘটনার পর অভিযোগ জানাতে সবার প্রথমে নিহত তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু নাকি প্রত্যক্ষদর্শী সুভাষ গড়াই এসেছিলেন?
৫. প্রথম অভিযোগ কেন ফিরিয়ে দেওয়া হয় ?
৬. দ্বিতীয় অভিযোগ নেওয়ার আগে যদি মামলা শুরু হয়ে যায় তাহলে দ্বিতীয় অভিযোগ নেওয়ার সময় কেন নিহতের স্ত্রী পূর্ণিমাদেবীকে জানানো হয় নি যে এই ঘটনায় মামলা শুরু হয়ে গিয়েছে?
৬. কেন এতো তাড়াহুড়োতে প্রতক্ষ্যদর্শীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা করতে হলো ? তারই বা অভিযোগ জানানোর পেছনে কি স্বার্থ আছে ?
৭. অভিযোগকারী তো শিক্ষিত তাহলে অভিযোগের বয়ান তার ছেলেকে দিয়ে লেখানো হয়েছিল কেনো ?
৮. অভিযোগকারি সুভাষ গড়াই-র বাড়িতে পুলিশ পিকেট বসানোর কারণ কি ?
৯. সিবিআইকে অভিযোগকারী জানিয়েছেন, তার কাছ থেকে ১৫ তারিখে অভিযোগ লেখানো হয়l তাহলে ১৪ তারিখে মামলা রুজু হয় কি করে ?
১০.আপনার বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ কেন ? রাত ন’টার পর সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, এই প্রশ্নগুলির বেশ কয়েকটি স্পষ্টভাবে উত্তর মেলেনি। তাছাড়া তাঁর কথার মধ্যে বেশকিছু মিসিং লিংক রয়েছে। ফলে আবার তাকে ডাকা হতে পারে বলে সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে।

[আরও পড়ুন: সংরক্ষণের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে আপাতত ভরতি নয়, নয়া নির্দেশ কেন্দ্রের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন