দিব্যেন্দু অধিকারী, শিশির অধিকারী

একসঙ্গে মনোনয়ন জমা শিশির ও দিব্যেন্দুর, বাবা-ছেলের জয়ে আত্মবিশ্বাসী দল

মনোনয়ন পেশের আগে তৃণমূলের মিছিলে পা মেলান শুভেন্দু অধিকারী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০১৯, ১৮:৩৭

options
link
একসঙ্গে মনোনয়ন জমা শিশির ও দিব্যেন্দুর, বাবা-ছেলের জয়ে আত্মবিশ্বাসী দল

রঞ্জন মহাপাত্র, কাঁথি: একইসঙ্গে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বাবা-ছেলে, অর্থাৎ পূর্ব মেদিনীপুরের দুই লোকসভা কেন্দ্রের ২ তৃণমূল প্রার্থী শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারী। মিছিল করে একইসঙ্গে মনোনয়নপত্র জমা দিতে যান তাঁরা। নেতা-কর্মী ছাড়াও ওই মিছিলে পা মেলান রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

Advertisement

[আরও পড়ুন: প্যান্টোগ্রাফ ভেঙে বিপত্তি, হাওড়া-বর্ধমান মেন লাইনে বন্ধ ট্রেন চলাচল]

পূ্র্ব মেদিনীপুর মানেই অধিকারী সাম্রাজ্য। বলাই বাহুল্য, অধিকারী পরিবারের ‘গড়’ ওই এলাকা। বুধবার সকালে ফের স্পষ্ট হল সেই ছবিই। এদিন সকালে একইসঙ্গে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন পূর্ব মেদিনীপুরের ২ লোকসভা কেন্দ্র কাঁথি ও তমলুকের প্রার্থী শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারী। সঙ্গে ছিলেন প্রচুর কর্মী সমর্থক। এদিন সকালে তমলুক রাজবাড়ি থেকে একটি মিছিলের আয়োজন করেন তৃণমূল নেতৃত্ব। সেই মিছিলেই ছিলেন তমলুকের প্রার্থী দিব্যেন্দু অধিকারী। স্থানীয় বাদামতলা এলাকা থেকে ওই মিছিলে পা মেলান পরিবহণ ও পরিবেশ মন্ত্রী তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তমলুক হাসপাতাল মোড় পর্যন্ত মিছিলে হাঁটেন রাজ্যের মন্ত্রী। এরপর সেখান থেকে বহরমপুরে মুখ্যমন্ত্রীর সভার উদ্দেশ্যে রওনা দেন শুভেন্দু অধিকারী।

Advertisement

suvendu

Advertisement

[আরও পড়ুন: ভোটের প্রচারে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিড-ডে মিলের ছবি পোস্ট, বিতর্কে তৃণমূল]

মিছিল নিয়েই জেলাশাসকের দপ্তরে হাজির হন বিদায়ী সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। একই সময়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে যান কাঁথির তৃণমূল প্রার্থী শিশির অধিকারীও। একইসঙ্গে মনোনয়নপত্র পেশ করেন তৃণমূলের পোড়খাওয়া এই দুই নেতা। পিতা-পুত্রের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ায় সময় জেলাশাসকের দপ্তরের বাইরে ভিড় জমান স্থানীয় পুরসভার চেয়ারম্যান, কাউন্সিলর সহ তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা। এবারেও নিজেদের দখলেই থাকবে পূর্ব মেদিনীপুর, আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল শিবির। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.