চঞ্চল প্রধান, নন্দীগ্রাম: নন্দীগ্রামে তৃণমূল ও বিজেপির পৃথক শহিদ স্মরণ। ভাঙাবেড়াতে শহিদ তর্পণ কুণাল ঘোষ ও শুভেন্দু অধিকারীর। ফলকে মাল্যদান করেন তৃণমূল নেতা। “শুভেন্দুদের শহিদ স্মরণের অধিকার নেই”, খোঁচা কুণালের। “পরের বছর আর আসবে না ওরা”, পালটা শুভেন্দুর।
গত ২০০৭ সালের ৭ নভেম্বর ভোরে জমি আন্দোলনে তিনজন শহিদ হন। ভরত মণ্ডল, শেখ সেলিম, বিশ্বজিৎ মণ্ডলদের স্মৃতির উদ্দেশে শহিদ তর্পণ করা হয়। প্রতি বছরের মতো এবারও ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির উদ্যোগে শহিদ স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। ভাঙাবেড়ায় ফলকে মাল্যদান করেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। সেই সময় উপস্থিত ছিলেন শেখ সুফিয়ান-সহ একাধিক তৃণমূল নেতা-কর্মী।
[আরও পড়ুন: মোদির লাক্ষাদ্বীপ সফর নিয়ে বিতর্কে মালদ্বীপ! ভারতীয়দের ‘উপহাস’ মুইজ্জুর দলের নেতার]
কুণাল ঘোষ বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে জমিরক্ষার লড়াই পৃথিবীর মানচিত্রে নিজের রক্ত দিয়ে লিখেছে নন্দীগ্রাম। ১৭ বছর পরেও শীতের সকালে এত মানুষের সমাবেশ প্রমাণ করে দিচ্ছে ক্ষত কতটা গভীর ছিল এবং রাজনৈতিক বদলার শপথটা কতটা দৃঢ়।” এদিন শহিদ স্মরণে মাল্যদান করেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তা নিয়ে বিজেপি নেতাকে খোঁচা দেন কুণাল। বলেন, “ওদের শহিদ স্মরণের কোনও অধিকার নেই।” পালটা জবাব দেন শুভেন্দুও। তাঁর কথায়, “ওদেরও শহিদ স্মরণের অধিকার নেই। পরের বছর আর ওরা আসবে না।”
দেখুন ভিডিও:
[আরও পড়ুন: ‘ছেলে ততদিনই নিজের থাকে যতদিন বউমা না আসে’, বলছেন দেশের ‘হবু প্রধান বিচারপতি’]
সর্বশেষ খবর
-
মমতার তিরস্কার, শুভেন্দুর পুরস্কার! দময়ন্তী সেন-সহ ৬ আইপিএসকে স্বাধীনতা দিবসে সম্মান মুখ্যমন্ত্রীর
-
কলকাতা মেডিক্যালে মহিলা কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টা! নেপথ্যে কী কারণ?
-
কার্যালয়ে কার্তুজ, গোপন ডেরায় ইসিএলের নথি! দেড় মাস পর পুলিশের জালে বিধায়ক পুত্র ‘বাহুবলী’ প্রেমপাল
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে