সুমন করাতি, হুগলি: বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার। বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী নিজে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, কোথাও কোনও অবৈধ নির্মাণ বরদাস্ত নয়, তা ভাঙতে হবে। তাঁর কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করছেন জনপ্রতিনিধিরাও। এবার জনসংযোগে বেরিয়ে বাড়ির বেআইনি নির্মাণ দেখে রেগে অগ্নিশর্মা তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার। চুঁচুড়ার নলডাঙা জিটি রোডের ধারে একটি বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে মেজাজ হারালেন তিনি। হাইড্রেন দখল করে ওই বাড়ির অংশ নির্মাণ করা হয়েছে। এমনই মারাত্মক অভিযোগ সামনে এল। কেন ড্রেন আটকে বাড়ি করা হয়েছে? প্রশ্ন তুলে বাড়ির মালিককে রীতিমতো ধমক দিলেন অসিত মজুমদার।
রবিবার তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার বেরিয়েছিলেন এলাকায় পরিদর্শনে। চোখে পড়ল নলডাঙা জিটি রোডের পাশে একটি তিনতলা বাড়িতে। ওই বাড়ির সামনের এলাকা বড় পাঁচিল দিয়ে ঘেরা। সামনে বিশাল বড় লোহার গেট। অভিযোগ, সেই বাড়ির মালিক সরকারি ড্রেনের উপরেই পাকা দোকানঘর তুলেছেন। মালিক ফণীভূষণ মিত্র প্রাক্তন ব্যাঙ্ককর্মীকে তলব করে বিধায়কের সামনে আনা হয়। কেন তিনি পূর্ত দপ্তরের জায়গা দখল করেছেন? সেই প্রশ্ন করেন বিধায়ক অসিত মজুমদার। তার কোনও উত্তরই দিতে পারেননি ফণীভূষণ।
তাতেই মেজাজ হারান তৃণমূল বিধায়ক। শুধু তাই নয়, সেখানে দাঁড়িয়েই পুলিশকে ফোন করেন। দখলদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেন। রবিবার সকালে এই ঘটনায় বেশ চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। অসিত মজুমদার বলেন, “সরকার চলছে বলে বোঝা যাচ্ছে না। মনে হচ্ছে ওঁরাই সরকার।” তাঁর আরও বক্তব্য, “সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ করব। সব দখল উচ্ছেদ করাব। একসময় রাস্তার পাশের দোকান উচ্ছেদ আমি আটকে ছিলাম। আমি ভুল করেছিলাম। আমি সেই পাপের প্রায়শ্চিত্ত করব।” কিন্তু একদিনে তো এই নির্মাণ হয়নি। কেন পঞ্চায়েত, প্রশাসন সেইসময় দেখল না? এই প্রশ্নে বিধায়ক বলেন, “যারা দেখেননি, তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেব।”
সর্বশেষ খবর
-
চাহিদা তুঙ্গে পদ্মফুল ও জয় শ্রীরাম লেখা গেরুয়া রাখির, কালনা থেকে পাড়ি দিচ্ছে অযোধ্যায়
-
তোলাবাজিতে সিদ্ধহস্ত, ৫ বছরে দেবরাজের সম্পত্তি বেড়ে ১০০ কোটি! ইডিকে তথ্য দিল পুলিশ
-
রাজ্যে একধাক্কায় দ্বিগুণ হচ্ছে প্রাক্তন বিধায়কদের পেনশন! বড় সিদ্ধান্তের পথে শুভেন্দুর সরকার
-
‘আমি অধিনায়ক’, বাবরকে নেতা মানতে নারাজ আফ্রিদি! বিশ্বকাপ নিয়ে এখনই পাকিস্তানে ধুন্ধুমার
-
শতাব্দীপ্রাচীন জিমখানা ক্লাব দেশের ইতিহাসের অংশ, উচ্ছেদ রুখতে মোদিকে চিঠি ৫০ প্রাক্তন সেনাকর্মীর!