সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মেদিনীপুরের তৃণমূল নেতাকে আচমকা ফোন খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের ফোন পেয়ে আপ্লুত মেদিনীপুর শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল সভাপতি দীপঙ্কর সণ্নিগ্রাহী। কিন্তু জানেন কেন এই ফোন? ব্যাপারটা ঠিক কী?
জানা গিয়েছে, দিন চারেক আগে আচমকাই একটি ফোন যায় দীপঙ্করবাবুর কাছে। সেটি রিসিভ করতেই ওপ্রান্ত থেকে বলা হয়, “আমি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলছি।” স্বাভাবিকভাবেই হতবাক হয়ে যান মেদিনীপুর কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষক তথা তৃণমূল নেতা দীপঙ্কর। এরপর বেশ কিছুক্ষণ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কথা বলেন তাঁর সঙ্গে। দীপঙ্করবাবু জানিয়েছেন, মূলত সংগঠনের কাজ কেমন চলছে। কোথাও কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না। এসবই তাঁর কাছে জানতে চেয়েছেন অভিষেক।
[আরও পড়ুন: সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ, আগামী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির সম্ভাবনা কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের এই জেলাগুলিতে]
কিন্তু কেন দীপঙ্করবাবুকে ফোন করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়? জানা গিয়েছে, পুরভোটের আগে দীপঙ্করবাবুর ওয়ার্ড অর্থাৎ ১০ নম্বরের প্রার্থী নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। প্রথমে দীপঙ্করবাবুরা নাম পাঠিয়েছিলেন সঙ্গীতা পালের। কিন্তু পরে দলের তরফে প্রার্থী পালটে দেওয়া হয়। দল প্রার্থী করে মলি মহাপাত্রকে।
সেই সময় দীপঙ্করকে থানায় ডেকে পাঠানো হয়েছিল। যা নিয়ে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন তিনি। সম্মানহানি হয়েছে বলে বিভিন্ন মহলে দুঃখপ্রকাশ করেছিলেন দীপঙ্কর, এমনটাও শোনা গিয়েছে। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফোন পেয়ে বেজায় খুশি তৃণমূল নেতা।
[আরও পড়ুন: ঘাড়ে সাংঘাতিক কোপের আঘাত, মধ্যরাতে জীবনদায়ী জটিল অস্ত্রোপচার, ১৮ ঘণ্টায় সুস্থ রোগী]
সর্বশেষ খবর
-
মমতার তিরস্কার, শুভেন্দুর পুরস্কার! দময়ন্তী সেন-সহ ৬ আইপিএসকে স্বাধীনতা দিবসে সম্মান মুখ্যমন্ত্রীর
-
কলকাতা মেডিক্যালে মহিলা কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টা! নেপথ্যে কী কারণ?
-
কার্যালয়ে কার্তুজ, গোপন ডেরায় ইসিএলের নথি! দেড় মাস পর পুলিশের জালে বিধায়ক পুত্র ‘বাহুবলী’ প্রেমপাল
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে