Abhishek Banerjee

‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলছি’, মেদিনীপুরের তৃণমূল নেতাকে কেন আচমকা ফোন?

অভিষেকের ফোন পেয়ে আপ্লুত তৃণমূল নেতা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০২২, ১৩:০২

options
link
‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলছি’, মেদিনীপুরের তৃণমূল নেতাকে কেন আচমকা ফোন?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মেদিনীপুরের তৃণমূল নেতাকে আচমকা ফোন খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের ফোন পেয়ে আপ্লুত মেদিনীপুর শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল সভাপতি দীপঙ্কর সণ্নিগ্রাহী। কিন্তু জানেন কেন এই ফোন? ব্যাপারটা ঠিক কী?

Advertisement

জানা গিয়েছে, দিন চারেক আগে আচমকাই একটি ফোন যায় দীপঙ্করবাবুর কাছে। সেটি রিসিভ করতেই ওপ্রান্ত থেকে বলা হয়, “আমি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলছি।” স্বাভাবিকভাবেই হতবাক হয়ে যান মেদিনীপুর কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষক তথা তৃণমূল নেতা দীপঙ্কর। এরপর বেশ কিছুক্ষণ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কথা বলেন তাঁর সঙ্গে। দীপঙ্করবাবু জানিয়েছেন, মূলত সংগঠনের কাজ কেমন চলছে। কোথাও কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না। এসবই তাঁর কাছে জানতে চেয়েছেন অভিষেক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ, আগামী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির সম্ভাবনা কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের এই জেলাগুলিতে]

কিন্তু কেন দীপঙ্করবাবুকে ফোন করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়? জানা গিয়েছে, পুরভোটের আগে দীপঙ্করবাবুর ওয়ার্ড অর্থাৎ ১০ নম্বরের প্রার্থী নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। প্রথমে দীপঙ্করবাবুরা নাম পাঠিয়েছিলেন সঙ্গীতা পালের। কিন্তু পরে দলের তরফে প্রার্থী পালটে দেওয়া হয়। দল প্রার্থী করে মলি মহাপাত্রকে।

Advertisement

সেই সময় দীপঙ্করকে থানায় ডেকে পাঠানো হয়েছিল। যা নিয়ে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন তিনি। সম্মানহানি হয়েছে বলে বিভিন্ন মহলে দুঃখপ্রকাশ করেছিলেন দীপঙ্কর, এমনটাও শোনা গিয়েছে। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফোন পেয়ে বেজায় খুশি তৃণমূল নেতা।

[আরও পড়ুন: ঘাড়ে সাংঘাতিক কোপের আঘাত, মধ্যরাতে জীবনদায়ী জটিল অস্ত্রোপচার, ১৮ ঘণ্টায় সুস্থ রোগী]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.