Abhishek Banerjee

‘বিজেপি বলে আর আমরা করে দেখাই’, বজ্রপাতে মৃতদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে কটাক্ষ অভিষেকের

দলের তরফে মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য অভিষেকের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৯, ২০২১, ১৮:০৫

options
link
‘বিজেপি বলে আর আমরা করে দেখাই’, বজ্রপাতে মৃতদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে কটাক্ষ অভিষেকের

কল্যাণ চন্দ্র এবং শাহজাহাদ হোসেন: ছুটে গিয়েছিলেন যশ বিধ্বস্ত অঞ্চলে। কথা বলেছিলেন, স্থানীয়দের সঙ্গে। পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাসও দিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। এর মাঝেই বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছেন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের অন্তত ৩০ জন। এবার তাঁদের ‘দুয়ারে’ পৌঁছে গেলেন অভিষেক। বুধবার মুর্শিদাবাদের বহরমপুর ও রঘুনাথগঞ্জের মৃত ৯ জনের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন তিনি। দলের তরফে ২ লক্ষ টাকা প্রতি পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দিয়েছেন। এদিন আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি নিয়ে কেন্দ্রকে বিঁধেছেন অভিষেক। বলেছেন, “ওঁরা বলে আর আমরা কাজে করে দেখাই।”

Advertisement

এদিন বেলায় বহরমপুরে পৌঁছন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে বহরমপুরের বানজেটিয়া ও হাতিনগরের দুই পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন অভিষেক। বজ্রপাতে মৃত অভিজিৎ বিশ্বাস(৪২) ও প্রহ্লাদ মোরারির(৪০) সঙ্গে দেখা করেন তিনি। দু’জনের বাড়িতে যান অভিষেক। খোঁজ নেন পরিবারের সদস্যদের। প্রহ্লাদ মোরারি দুই সন্তানকে কাছে টেনে নেন অভিষেক। জড়িয়ে ধরে সমবেদনা জানান। তাঁর কাছে সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নিয়ে চিন্তাপ্রকাশ করেন প্রহ্লাদ মোরারির স্ত্রী। তাঁর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন অভিষেক। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বিষয়টি জানানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। সেখান থেকে অভিষেক যান রঘুনাথগঞ্জে। বজ্রপাতে রঘুনাথগঞ্জ ও সুতিতে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল। নওদা তিরপাড়া এলাকায় মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। সকলের সঙ্গে আলাদা আলাদাভাবে কথা বলেন। হাতে তুলে দেন আর্থিক সাহায্য।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘যশে’ ভেঙেছে ঘরবাড়ি, সামান্য রোজগারের আশায় কাঁকড়া ধরতে গিয়ে বাঘের হানায় মৃত মৎস্যজীবী]

 

Advertisement

সারা বছর পরিবারগুলির পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন অভিষেক। বলেন, “কোনও আর্থিক সাহায্যই এই ক্ষতিপূরণ করতে পারবে না। তবু আমরা সারা বছর মানুষের পাশে আছি।” এদিনও বিজেপিকে তুলোধোনা করেন অভিষেক। বলেন, “মার্চ-এপ্রিল মাসে কেউ কেউ এসে কারওর কারওর বাড়িতে খাওয়া-দাওয়া করেছেন। আজকে তাঁরা কোথায়? মানুষের সুখের সময় তৃণমূল কংগ্রেস থাকে না। কিন্তু দুঃখের সময় সবার আগে আমরাই ছুটে আসি।” তিনি আরও বলেন, “কেন্দ্র তো সাহায্যের কথা মুখে ঘোষণা করেছে। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যে হাতে আর্থিক সাহায্য তুলে দিলেন। এটাই পার্থক্য।” উল্লেখ্য, এদিনের সফরে অভিষেকের সঙ্গে ছিলেন দুই মন্ত্রী আখরুজ্জমান এবং সাবিনা ইয়াসমিন ও জেলা পরিষদের সভাধিপতি আবু তাহেরও।

[আরও পড়ুন: ‘তৃণমূলে গদ্দারদের ঠাঁই নেই’, দলবদলের জল্পনার মাঝেই রাজীবের বিরুদ্ধে পোস্টার ডোমজুড়ে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.