গদ্দাররাই এমন আচরণ করে, নাম না করে মুকুলকে আক্রমণ পার্থর

ভোটের ময়দানে নামুন, মুকুলকে কড়া চ্যালেঞ্জ তৃণমূল মহাসচিবের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৫, ২০১৭, ১১:২৮

options
link
গদ্দাররাই এমন আচরণ করে, নাম না করে মুকুলকে আক্রমণ পার্থর

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পঞ্চমীর সকালে সাংবাদিক সম্মেলন করে তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা ঘোষণা করে দিয়েছেন। রাজ্য রাজনীতিতে এখন জোর জল্পনা, খুব তাড়াতাড়ি বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন একদা শাসকদলের ‘নম্বর টু’ মুকুল রায়। এই প্রেক্ষাপটে এবার দলের সাসপেন্ডেড সাংসদের বিরুদ্ধে সুর আরও চড়াল তৃণমূল কংগ্রেস। মুকুল রায়কে সরাসরি ভোটের ময়দানে নামার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন তৃণমূলের মহাসচিব। তাঁর অভিযোগ, গদ্দারের মতো আচরণ করছেন মুকুল।

Advertisement

[মুকুলকে নিয়ে ভাবার প্রয়োজন মনে করে না তৃণমূল, সাফ জানালেন পার্থ]

Advertisement

আর মাত্র দু’বছর পরই লোকসভা নির্বাচন। আসন্ন লোকসভা ভোটে বাংলা, কেরলের মতো অবিজেপিশাসিত রাজ্যগুলি থেকে ভোট বাড়াতে চাইছে বিজেপি। এ রাজ্যে সংগঠনকে জোরদার করতে প্রয়োজনে অন্য দল থেকে গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে ভাঙিয়ে আনতেও আপত্তি নেই বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটির। স্বাভাবিকভাবেই মুকুল রায়কে কৌতুহল বাড়ছে রাজনৈতিক মহলে। শোনা যাচ্ছে, মুকুলকে দলে নিতে আগ্রহী বিজেপির একাধিক শীর্ষ। তিনিও যে গেরুয়া শিবিরেই যোগ দিতে চান, তা বুঝিয়ে দিচ্ছেন মুকুল রায়। বিজেপির রাজ্য রাজ্য দপ্তরে নাকি বিজয়া দশমীর মিষ্টিও পাঠিয়েছেন তিনি। এই প্রেক্ষাপটে বুধবার সাংবাদিক সম্মেলনে একদা দলের সতীর্থকে কার্যত তুলোধোনা করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। মুকুলের নাম না করে তিনি বলেন, যাঁরা গদ্দার, তাঁরাই এমন আচরণ করেন। তাঁর দাবি, দলে থেকে দলকে দুর্বল করার চেষ্টার যে অভিযোগ উঠেছিল, তা নিজেই প্রমাণ করে দিয়েছেন মুকুল। বিজেপিকে তোষণ ও বিজেপির সুনজরে থাকার চেষ্টা করছেন তিনি।

Advertisement

[পাহাড়ে বেধড়ক মার খেলেন দিলীপ ও তাঁর সঙ্গীরা, সদলবলে থানায় আশ্রয়]

বস্তুত, ঘরে বসে না থেকে, মুকুল রায়কে সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ভোটে লড়ার চ্যালেঞ্জও জানিয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, মমতার নাম ছাড়া অনেক নেতাই গ্যাস বেলুন। ক্ষমতা থাকলে, রাজ্যের ২৯৪টি আসনের যেকোনও একটি ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন মুকুল রায়। এই প্রসঙ্গে অটলবিহারী বাজপেয়ীর জমানা কথাও উল্লেখ করেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘ অটলবিহারী বাজপেয়ী সারা দেশকে ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করেছিলেন। তাই আমরা তাঁর পাশে ছিলাম। কিন্তু, অটলবিহারী বাজপেয়ী আর নরেন্দ্র মোদি কি এক?’

[পাহাড়ের নেতা বিমল গুরুং, দিলীপের মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক]

শোনা যাচ্ছে, নিজেকে দলের থেকে বিচ্ছিন্ন করেছেন ঠিকই। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের অনেক তাবড় তাবড় নেতার সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ করেছেন মুকুল রায়। পরিস্থিতি বুঝে নিতে পুজোর পর মুকুল রায় জেলা সফরেও যেতে পারেন বলে খবর। আর তাতেই অস্বস্তি বেড়েছে তৃণমূলের।

[মিলেছে অভূতপূর্ব সাফল্য, এবার সব জেলায় কলকাতার ধাঁচে কার্নিভাল]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.