দার্জিলিঙের পর এবার দ্বিতীয় গ্লোবাল ডেস্টিনেশন হিসেবে ঘোষিত হতে চলেছে সুন্দরবন। রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়চকে বিশ্ব ম্যানগ্রোভ দিবস উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানে বিশ্ব ম্যানগ্রোভ দিবসে সুন্দরবনকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনার কথা জানালেন রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী। তিনি বলেন, সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভকে মূল বিষয় করেই গড়ে উঠবে সুন্দরবনের পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনা। সুন্দরবনের মানুষের অর্থনৈতিক মানোন্নয়নে পর্যটন শিল্পকে বিশেষ তাই বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে রাজ্য সরকার। সে কথা মাথায় রেখেই সুন্দরবনে পরিবেশবান্ধব পর্যটনে ব্লু-কার্বন অর্থনীতির বিকাশে পর্যটন শিল্পের উপরই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এদিন ম্যানগ্রোভ দিবসে পর্যটন মন্ত্রী শংকর ঘোষ জানান, ‘ওয়ান স্টেট, ওয়ান ডেস্টিনেশন’ হিসেবে আগেই দার্জিলিংয়ের কথা বলা হয়েছিল। এখন গ্লোবাল ডেস্টিনেশনের দ্বিতীয় ঠিকানা হতে চলেছে সুন্দরবন।
আরও পড়ুন:
উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার দুই জেলাশাসককে এজন্য ইতিমধ্যেই সুন্দরবন এলাকার সম্ভাব্য পর্যটনের স্যাটেলাইট ম্যাপ তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের সুবিধায় চালু করা হবে হেল্পলাইন নম্বর ও বিশেষ অ্যাপ। যে অ্যাপে সরকারের নিবন্ধীকৃত ট্যুর অপারেটর, হোটেল মালিক ও বুকিং অপারেটরদের নাম-ঠিকানা থাকবে।
মন্ত্রীর কথায়, কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতায় দ্বিতীয় ডেস্টিনেশন হিসেবে এরাজ্যের মন্দারমনি ও সুন্দরবনের কথা ভাবা হয়েছে। কিন্তু সুন্দরবনকেই এবিষয়ে বিশেষ প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। আর সেজন্যই সুন্দরবন উন্নয়ন, বন ও পর্যটন দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে সুন্দরবনের পরিকাঠামো ও অর্থনীতির বিকাশে জোর দেওয়া হয়েছে। সড়ক পরিবহনের পাশাপাশি কলকাতা থেকে সুন্দরবন পৌঁছতে জোর দেওয়া হচ্ছে জলপথ পরিবহনের উপরও। গঙ্গাসাগর মেলার সময়ই শুধু নয়, সারা বছরই পর্যটক টানতে গঙ্গাসাগর ও সুন্দরবনের বেশ কয়েকটি দ্বীপকে ঢেলে সাজানো হবে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার দুই জেলাশাসককে এজন্য ইতিমধ্যেই সুন্দরবন এলাকার সম্ভাব্য পর্যটনের স্যাটেলাইট ম্যাপ তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের সুবিধায় চালু করা হবে হেল্পলাইন নম্বর ও বিশেষ অ্যাপ। যে অ্যাপে সরকারের নিবন্ধীকৃত ট্যুর অপারেটর, হোটেল মালিক ও বুকিং অপারেটরদের নাম-ঠিকানা থাকবে।
এদিন ম্যানগ্রোভ দিবসে আলোচনায় উঠে আসে সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ সংরক্ষণের বিশেষ প্রয়োজনীয়তার কথা। যার মধ্যে রয়েছে ম্যানগ্রোভের কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও প্রবল ঝড়ের হাত থেকে মানবজাতির সুরক্ষা, ম্যানগ্রোভের কার্বন ধ্বংস, বাঁধরক্ষার মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি। এজন্য সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ সংরক্ষণ ও সেই ম্যানগ্রোভ নষ্ট করে যথেচ্ছ ভেড়ি বন্ধের কথাও উঠে এসেছে আলোচনায়। রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী শংকর ঘোষ ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পর্যটন দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী এবং সুন্দরবন উন্নয়ন দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী দীপঙ্কর জানা, সাগর ও ফলতার দুই বিধায়ক এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকরা। এদিন ম্যানগ্রোভ রক্ষায় সুন্দরবনের বেশ কয়েকজন ব্যক্তি ও সংগঠনকে সংবর্ধিতও করা হয়।
সর্বশেষ খবর
-
‘১৫ বছরের দুর্নীতির অভিশাপ…’, আশিসের মৃত্যুতে কালীঘাটকেই দায়ী ঋতব্রতর, কী বললেন অভিষেক?
-
‘ককরোচে’র ভয়! ক্ষমা চাইলেন বিক্ষোভকারী পড়ুয়াদের শাস্তির নিদান দেওয়া বার কাউন্সিলের প্রধান
-
এলাচের নামে ‘নিষিদ্ধ’ পান মশলার বিজ্ঞাপন! আইনি নোটিস শাহরুখ-অজয়-টাইগারকে
-
বিমানবন্দরে চেকিংয়ের সময় যাত্রীর বন্দুক থেকে গুলি! আহত শিশু-সহ চার, চাঞ্চল্য বারাণসীতে
-
হাসিনাকে ঢাকার হাতে প্রত্যর্পণ? সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের আদালতই, দু’দেশের আলোচনা তুঙ্গে