Buxa

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ‘এন্ট্রি ফি’ তুলে দিতেই বক্সায় ভিড় পর্যটকদের, ক্ষতির শঙ্কায় পর্যটন ব্যবসায়ীরা

বৃহস্পতিবার সরকারিভাবে নতুন নির্দেশিকা জারি হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৫, ১৮:০২

options
link
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ‘এন্ট্রি ফি’ তুলে দিতেই বক্সায় ভিড় পর্যটকদের, ক্ষতির শঙ্কায় পর্যটন ব্যবসায়ীরা
বক্সার রাস্তায় বনবিভাগের বার্তা। নিজস্ব চিত্র

রাজ কুমার, আলিপুরদুয়ার: রাজ্যের সব বনাঞ্চলে পর্যটকদের প্রবেশমূল্য তুলে দেওয়া হয়েছে। এখন আর বনের ভিতর ঢুকতে পর্যটকদের কোনও টাকা দিতে হবে না। সরকারি এই নির্দেশে খুশি পর্যটকরা। তবে নতুন নির্দেশিকায় বক্সায় বেশ কিছু আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পর্যটকদের থেকে পাওয়া অর্থের একটা অংশ বনবস্তির উন্নয়নে ব্যবহার হত। এবার সেই টাকা কোথা থেকে আসবে? তাই নিয়েও শুরু হয়েছে চর্চা।

Advertisement

জানা গিয়েছে, বক্সায় পর্যটকদের প্রবেশের জন্য মাথাপিছু ১৫০ টাকা করে নেওয়া হত। এছাড়া পর্যটকরা কোনও গাড়ি নিয়ে বনাঞ্চলের ভেতরে ঢুকলে গাড়ি প্রতি ৪৮০ টাকা করে আদায় করত বন দপ্তর। পর্যটকদের থেকে আদায় হওয়া অর্থের ৪০ শতাংশ স্থানীয় বন বস্তিবাসীদের মধ্যে বিতরণ করে দিত বন দপ্তর। বাসিন্দারা এই টাকা এলাকার উন্নয়ন ও বুনো জন্তুর হামলা ঠেকানো-সহ নানা কাজে ব্যবহার করতেন বলে খবর।

Advertisement

বক্সার চরিত্র অন্যরকম বলেও দাবি করেছেন বনকর্তারা। তাঁদের দাবি, জলদাপাড়া বা অন্যান্য বনাঞ্চলে বনদপ্তরের নথিভুক্ত গাড়ি ছাড়া অন্য কোনও গাড়ি বনাঞ্চলে ঢুকতে পারে না। কিন্তু বক্সার একেবারে ভেতরে বনবস্তি ও হোম স্টে থাকায় এই বনাঞ্চলে গাড়ি প্রবেশে কোনও নিষেধাজ্ঞা জারি নেই। নতুন নিয়মে যে কেউ গাড়ি নিয়ে বিনামূল্যে বনাঞ্চলের ভেতরে ঢুকে যেতে পারবেন। বক্সা বাঘ বনের পূর্ব বিভাগের উপক্ষেত্র অধিকর্তা দেবাশিস শর্মা বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেই আমরা পর্যটকদের প্রবেশমূল্য তুলে দিয়েছি। পর্যটকদের গাড়ির জন্য যে টাকা নেওয়া হত, সেটাও তুলে দেওয়া হয়েছে।”

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে সব বনাঞ্চলে পর্যটকদের জন্য এন্ট্রি ফি মুকুব করে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার সরকারিভাবে ডিএফওরা সেই নির্দেশিকা জারিও করে দেন। এর জেরে বিভিন্ন বনাঞ্চলে পর্যটকদের ভিড় বাড়তেও শুরু করেছে। বনাঞ্চলে পর্যটকদের প্রবেশমূল্য তুলে দেওয়ার নির্দেশের বিরুদ্ধে এবার আসরে নামলেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। বনমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হওয়ার ভাবনা ইস্টার্ন ডুয়ার্স ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশনের।  এতে বন ও পর্যটনের ক্ষতি হবে বলে দাবি পর্যটন ব্যবসায়ীদের। বিষয়টি নিয়ে আলিপুরদুয়ার নেচার ক্লাবের সম্পাদক ত্রিদিবেশ তালুকদার বলেন, “বনবস্তিবাসী, বন, পর্যটন ও বুনো জন্তু সব কিছুকে বাঁচিয়েই নিয়ম কার্যকর করা উচিত। এরা একে অন্যের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.