Haldia

এখনও জ্বলছে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যাল, বন্ধ ট্রেন চলাচল, ক্ষোভে ফুঁসছেন শ্রমিকরা

সংস্থার বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ শুরু করেছেন কর্মীরা। 

Advertisement
অচিন্ত বেরা
অচিন্ত বেরা

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০২৬, ১১:৫১

options
link
এখনও জ্বলছে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যাল, বন্ধ ট্রেন চলাচল, ক্ষোভে ফুঁসছেন শ্রমিকরা
এখনও নিয়ন্ত্রণে নয় হলদিয়ার আগুন।

কয়েকঘণ্টা কেটে গেলেও এখনও নিয়ন্ত্রণে নয় হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের আগুন। মঙ্গলবার ভোররাতে আচমকাই ন্যাপথা পাইপলাইনে আগুন লেগে যায়। আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে মুহূর্তে তা আশেপাশে ছড়িয়ে পড়ে। ভস্মীভূত হয়ে যায় একের পর এক বাড়ি। ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ অন্তত ২২ জন। তাঁদের মধ্যে আশঙ্কাজনক ৬ জন। তাঁদের ইতিমধ্যে গ্রিন করিডোর করে কলকাতায় আনা হচ্ছে বলে খবর। এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের জেরে হলদিয়া-পাঁশকুড়া রুটে বন্ধ ট্রেন চলাচল। যার জেরে চরম ভোগান্তিতে নিত্যযাত্রী থেকে সাধারণ মানুষ।

Advertisement

এক ব্যক্তির দাবি, সন্ধ্যা থেকেই গ্যাসের গন্ধ বের হচ্ছিল। সংস্থাকে জানানোও হয়েছিল। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কিনা তা বলতে পারেননি তিনি। তবে ওই ব্যক্তির কথায়, ভোররাতে বিশাল বিস্ফোরণের শব্দ। বেরিয়ে দেখি চারপাশজুড়ে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। আতঙ্কে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়।

এদিন ঘটনাটি ঘটেছে হলদিয়ার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে চিরঞ্জিপুর এলাকায় পেট্রোকেমিক্যালে। এই এলাকার একেবারে পাশ দিয়েই গিয়েছে রেললাইন। আগুনের তীব্রতা এতটাই যে ওভারহেড লাইন সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ট্রান্সফর্মারও। স্থানীয়দের দাবি, আগুনের তীব্রতায় লাইনের বেশ কিছু অংশও দুমড়ে গিয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে ওই লাইনে বন্ধ রাখা হয়েছে ট্রেন চলাচল। বাতিল করা হয়েছে হলদিয়া-হাওড়া-হলদিয়া লোকাল ট্রেনটিকে। রুট বদল করা হয়েছে ৩৮০৫১ হাওড়া-হলদিয়া লোকালের। জানা গিয়েছে, হলদিয়ার বদলে দুর্গাচক পর্যন্ত চালানো হবে ট্রেনটিকে। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

যদিও দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছেন রেলের আধিকারিকরা। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকায় কাজ করতে রীতিমতো চ্যালেঞ্জের মুখে কর্মীরা। অন্যদিকে ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্কে স্থানীয় মানুষজন। স্থানীয় এক মহিলা জানান, সবাই রাতে ঘুমাচ্ছিলেন। হঠাৎ করে আগুন ধরে যায়। আতঙ্কে সবাই বেরিয়ে ছোটাছুটি শুরু করে দি। প্রাণে রক্ষা পেলেও আগুনে গ্রাসে চলে গিয়েছে সম্পূর্ণ বাড়ি। আরও এক ব্যক্তির দাবি, সন্ধ্যা থেকেই গ্যাসের গন্ধ বের হচ্ছিল। সংস্থাকে জানানোও হয়েছিল। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কিনা তা বলতে পারেননি তিনি। তবে ওই ব্যক্তির কথায়, ভোররাতে বিশাল বিস্ফোরণের শব্দ। বেরিয়ে দেখি চারপাশজুড়ে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। আতঙ্কে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। অন্যদিকে ঘটনাস্থলে এখনও পর্যন্ত ১২টি ইঞ্জিন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। তবে সংস্থার বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ শুরু করেছেন কর্মীরা। 

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.