Burdwan station

ছন্দে বর্ধমান স্টেশন, জলের ট্যাঙ্ক বিপর্যয়ের রেশ কাটিয়ে ২ ও ৩ নং প্ল্যাটফর্মে শুরু ট্রেন চলাচল

এদিকে, বুধবার গভীর রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পূর্ব রেলের জিএম।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৪, ২০২৩, ১০:১৬

options
link
ছন্দে বর্ধমান স্টেশন, জলের ট্যাঙ্ক বিপর্যয়ের রেশ কাটিয়ে ২ ও ৩ নং প্ল্যাটফর্মে শুরু ট্রেন চলাচল

সৌরভ মাজি, বর্ধমান: জলের ট্যাঙ্ক বিপর্যয়ে প্রাণহানির ঘটনার আতঙ্ক কাটিয়ে শুরু যাত্রী পরিষেবা। বুধবার গভীর রাত থেকে বর্ধমান স্টেশনের ২ এবং ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে শুরু ট্রেন চলাচল। যাতে নতুন করে আর কোনও অঘটন না ঘটে সেদিকে কড়া নজর রেল কর্তৃপক্ষ। বুধবার গভীর রাতে ছুটি বাতিল করে পূর্ব রেলের জিএম বর্ধমান স্টেশনে পৌঁছন। পুণে থেকে রাতেই দমদমে আসেন। এর পর বিশেষ ট্রেনে পৌঁছন বর্ধমান। আধিকারিকদের সঙ্গে একপ্রস্থ বৈঠকও সারেন তিনি।  

Advertisement

বুধবার দুপুর ১২টা ০৮ মিনিট নাগাদ আচমকা ৫৩ হাজার ৮০০ গ্যালন জল ভর্তি ট্যাঙ্কের একটা বড় অংশ ভেঙে পড়ে। ভারী ধাতুর তৈরি ট্যাঙ্কের অংশটি প্রথমে যাত্রী শেডের উপর পড়ে। তার পর সেই শেড-সহ প্ল্যাটফর্মে পড়ে। কিছু অংশ ১ ও ২ নম্বর লাইনের উপরেও পড়ে। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ জলও তীব্র বেগে নিচে পড়েছে। সেই সময় ট্রেন ধরার জন্য বহু যাত্রী অপেক্ষা করছিলেন। ছিলেন বহু মহিলা ও শিশুও। কেউ হাওড়া, কেউ শিয়ালদহ, কেউ আবার বোলপুর শাখার ট্রেন ধরার জন্য অপেক্ষায় ছিলেন। হুড়মুড়িয়ে ট্যাঙ্ক ও শেড ভেঙে পড়ায় চাপা পড়ে যান যাত্রীরা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টায় জোড়া শুটআউট, চোপড়ার পর রায়গঞ্জে গুলিতে খুন সরকারি কর্মী]

কারও মাথার ঘিলু বেরিয়ে যায়। কারও বুকের উপর পড়ে ধাতব কাঠামো। চারিদিক রক্তে ভেসে যেতে থাকে। জলের তোড়ে সেই রক্ত প্ল্যাটফর্ম থেকে গড়িয়ে রেললাইনে পড়তে থাকে। মৃতেরা হলেন বর্ধমান শহরের লাকুড্ডির মফিজা খাতুন (৩৩), ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জের কান্তিকুমার বাহাদুর (১৪) ও বিহারের সোনারাম টুডু (আনুমানিক ৩০)। রেলের তরফে মৃতদের ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করা হয়েছে। বেশি জখমদের ৫০ হাজার টাকা ও স্বল্প আঘাতপ্রাপ্তদের ৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেয় পূর্ব রেল। পাশাপাশি, এই দুর্ঘটনার তদন্তে রেলের তরফে তিন সদস্যর উচ্চপর্যায়ের কমিটিও গঠন করা হয়। 

Advertisement

দুর্ঘটনার পরই সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যান আরপিএফ, জিআরপির কর্মী আধিকারিকরা। পরে পৌঁছয় বর্ধমান থানার পুলিশও। উদ্ধারকাজ শুরু হয়। উদ্ধারকাজের জন্য ডেকে নেওয়া হয় মালগাড়িতে পণ্য ওঠানো নামানোর কাজে যুক্ত শ্রমিকদেরও। রেলের হকাররাও হাত লাগান উদ্ধারকাজে। এক এক করে জখমদের পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে যেতেও বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। অভিযোগ, রেলের কোনও অ্যাম্বুল্যান্সই ছিল না এখানে। বহু যাত্রীকে টোটো করে হাসপাতালে নিয়ে যায় যেতে হয়।

[আরও পড়ুন: এবার বাইডেনের বিরুদ্ধে শুরু ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া, চাপ তৈরির কৌশল ট্রাম্পের দলের?]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.