শ্রীকান্ত পাত্র, ঘাটাল: একই ওড়নায় ঝুলন্ত অবস্থায় দেহ উদ্ধার হল দুই বান্ধবীর। ঘটনা ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য চন্দ্রকোণার (Chandrokona) ধামকুড়িয়ার জঙ্গল এলাকায়। শুক্রবার সকালে জঙ্গলের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় তা চোখে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের। তাঁরাই খবর দেন পুলিশে। চন্দ্রকোণা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। মৃত কিশোরীদের একজনের পরিচয় জানা গেলেও, অপরজন সম্পর্কে বিশেষ তথ্য মেলেনি। কী কারণে দুজনে একসঙ্গে এভাবে আত্মঘাতী (Suicide) হল, তা নিয়ে অন্ধকারে পরিবারও।
চন্দ্রকোণার রামগড়ের বাসিন্দা বছর ষোলর কিশোরীর সঙ্গে তার বান্ধবীর অত্যন্ত সুসম্পর্ক ছিল। একে অপরের বাড়িতেও যাতায়াত করত। শুক্রবার তাদের দুজনকেই ধামকুড়িয়ার জঙ্গলে একটি গাছে একই ওড়নায় ঝুলন্ত অবস্থায় (Hagning Body) দেখা যায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে। একজনকে শনাক্ত করার পর তার পরিবারে খবর দেওয়া হয়। মেয়েটির মা গিয়ে মৃতদেহ শনাক্ত করে। অপরজনকে তিনি মেয়ের বান্ধবী বলে জানান। এও জানান, ওই মেয়েটি তাঁদের বাড়িতে আসত। কিন্তু নাম জানেন না। সম্ভবত আরামবাগে তার বাড়ি।
[আরও পড়ুন: আমেরিকার নাইট ক্লাবে ঢুকতে বাধা, বাইরে ঠান্ডায় জমে মৃত ভারতীয় বংশোদ্ভূত পড়ুয়া]
মনে করা হচ্ছে, মৃত দুই আদিবাসী কিশোরীর মধ্যে সমপ্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরিবার বা সমাজ তা ভালোভাবে গ্রহণ করবে কি না, তা নিয়ে দুই বান্ধবী দ্বিধায় ভুগছিল। তার জেরেই নিজেদের জীবনে ইতি টেনে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অপর কিশোরীর পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। তবে এই ঘটনায় তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকায়।
[আরও পড়ুন: লোকসভার আগে তপ্ত সন্দেশখালি, তড়িঘড়ি বিশেষ বৈঠক কমিশনের]
সর্বশেষ খবর
-
‘কলকাতা দেখব মামা’, আবদার করেই তারাতলার বহুতলের ছাদে, আর ফেরা হল না মামা-ভাগ্নের
-
লাইভ সার্জারি থেকে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ, ডিসানে হিস্টেরোস্কোপির মাস্টারক্লাস
-
অভিষেকের আপ্ত সহায়ক সুমিতের ‘বন্ধু’কে আটক করল পুলিশ, কারণ ঘিরে ধোঁয়াশা
-
কেতন হত্যাকাণ্ডে মা-বাবাকে দোষারোপ! পুণের হাড়হিম কাণ্ডে সমাজের সম্মুখে আয়না ধরলেন কঙ্গনা
-
ফুটবলের পর এবার ক্রিকেটেও মালিকানা, নতুন দল কিনলেন জন আব্রাহাম, সঙ্গী জন্টি রোডস