সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: বন্ধুদের সঙ্গে সমুদ্রে বেড়াতে গিয়ে মর্মান্তিক পরিণতি! বকখালির সমুদ্রে স্নান করতে নেমে তলিয়ে মৃত্যু হল কলকাতার দুই যুবকের। দীর্ঘ তল্লাশির পর সমুদ্র থেকে উদ্ধার হল তাঁদের মৃতদেহ। দেহ দুটি ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। মৃত যুবকদের বন্ধুদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই ঘটনায় সৈকতের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। আতঙ্কিত পর্যটকরা।

পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার সকালে কলকাতার (Kolkata) তপসিয়া থেকে ৫ বন্ধুর একটি দল বকখালিতে বেড়াতে এসেছিল। রবিবার দুপুরের সময় ৫ জন স্নান করতে নামেন বকখালির (Bakkhali)সমুদ্রে। সেই সময় সমুদ্রের উত্তাল ছিল। ঢেউয়ের ধাক্কায় তলিয়ে যেতে থাকেন দুই বন্ধু। তা দেখে শোরগোল পড়ে যায় সমুদ্রসৈকত জুড়ে। বাকি বন্ধুরা বাঁচানোর জন্য চিৎকার করতে থাকেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ফ্রেজারগঞ্জ উপকূল থানার পুলিশ প্রশাসন এবং ফ্রেজারগঞ্জ উপকূল রক্ষী বাহিনী।
[আরও পড়ুন: আর জি কর হত্যাকাণ্ড: মৃতার বাড়িতে কামদুনির প্রতিবাদীরা, পাশে থাকার আশ্বাস]
উপকূল রক্ষী বাহিনী হোভারক্রাফট নিয়ে তল্লাশি শুরু করে। বাহিনী এবং পুলিশের যৌথ প্রচেষ্টায় দীর্ঘক্ষণ পর সন্ধেবেলা বকখালির সমুদ্র থেকে উদ্ধার হয় নিখোঁজ ২ পর্যটকের মৃতদেহ (Deadbody)। জানা গিয়েছে, মৃত দুজনের নাম মিজান মহসিন ও আমন আলি। মিজানের বয়স ১৯ বছর, আমন আলি ১৮ বছরের। দেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। তাঁদের পরিবারে খবর দেওয়া হয়েছে। ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বকখালি পর্যটন কেন্দ্র জুড়ে।
[আরও পড়ুন: RG Kar: সুপার বদলেও অব্যাহত অচলাবস্থ! এবার দেশজুড়ে কর্মবিরতিতে চিকিৎসক সংগঠন]
সর্বশেষ খবর
-
‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ রিভিউ: রক্ত গরম করা সংলাপ, দক্ষিণী ধাঁচের অ্যাকশনে জমল জিতের ছবি
-
১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট পোঁতা হয়েছিল চারাগাছ, নীরবে স্বাধীনতার সাক্ষ্য বহন বাগনানের বৃক্ষত্রয়ীর
-
স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে শচীন-কোহলি, ‘কর্তব্য’ মনে করালেন গম্ভীর, কী বার্তা কলকাতার দুই প্রধানের?
-
পছন্দের চেয়ার না মেলায় ‘গোঁসা’ রাহুল-খাড়গের! এবারও এলেন না লালকেল্লায়
-
কলকাতার রাজপথের ক্যানভাসে ‘প্রতিবাদ আঁকলেন’ জয়া, অগ্নিমিত্রা-ঋতুপর্ণাদের সঙ্গে রাতদখলে আহসানও