নাগরাকাটায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু ২ ঠিকাকর্মীর

বন্ধ ফেজে বিদ্যুৎ এলো কীভাবে, তদন্তে পুলিশ

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০১৮, ১৩:০৫

options
link
নাগরাকাটায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু ২ ঠিকাকর্মীর

অরূপ বসাক, মালবাজার: হাইটেনশন টাওয়ারে কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল দুই ঠিকাকর্মীর।মৃতদের নাম নিরঞ্জন মাহাতো (২৮)ও পুরান মাহাতো (৩০)। এই ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন আর একজন। তাঁর নাম দৌলত মাহাতো (৩০)। তাঁকে মাল হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। তিন ঠিকাকর্মীই ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা। ঘটনাটি ঘটেছে নাগরাকাটার সিপচু এসএসবি ক্যাম্পে।

Advertisement

[যুবকের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার, খুনের অভিযোগে শোরগোল তেহট্টে]

জানা গিয়েছে, বিদ্যুৎ দপ্তরের তরফেই এসএসবি ক্যাম্পের হাইটেনশন টাওয়ারে কাজ চলছিল। কাজের জন্য বরাত দেওয়া হয়েছিল একটি বেসরকারি সংস্থাকে। সেই সংস্থার তরফেই তিন ঠিকাকর্মীকে আজ ওই ক্যাম্পে পাঠানো হয়। সকালে কাজে এসে প্রথমেই তিনজন ক্যাম্পের টাওয়ারে উঠে কাজ শুরু করেন। ঠিকাকর্মীরা নিউট্রাল ফেজে কাজ করছিলেন। সেই সময় ওই ফেজে বিদ্যুৎ বন্ধ ছিল। তিনজনের একজন উঠেছিলেন ক্যাম্পের বাইরের টাওয়ারে। দুজন ভিতরের টাওয়ারে। তারপরেই ঘটে বিপত্তি। আচমকাই সংশ্লিষ্ট ফেজে বিদ্যুৎ চালু হয়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দুই ঠিকাকর্মীর। তৃতীয়জনের আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

Advertisement

ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে নাগারকাটা থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জলপাইগুড়িতে পাঠানো হয়েছে। বিদ্যুৎ বন্ধ থাকা ফেজে হঠাৎ কিভাবে বিদ্যুৎ চালু হয়ে গেল তা নিয়ে মুখ খোলেনি দপ্তরের কর্মীরা। ক্যাম্পের তরফেও কিছু জানানো হয়নি। মাঝেমাঝেই ক্যাম্পের ভিতরের টাওয়ারে বিদ্যুৎকর্মীরা কাজ করেন। তাই বিষয়টি নিয়ে মাথা ঘামায়নি ক্যাম্প কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি সংস্থার তরফেও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেনি জেলা বিদ্যুৎ দপ্তরের আধিকারিকরা। স্বাভাবিকভাবেই কার গাফিলতিতে মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটল তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্তে নেমেছে নাগরাকাটা থানার পুলিশ।

Advertisement

[মদ্যপানের প্রতিবাদের মাশুল, ২ অন্তঃসত্ত্বাকে রাস্তায় ফেলে মার মদ্যপ যুবকদের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.