বিক্রম রায়, কোচবিহার: অবশেষে কোচবিহারের শীতলকুচির সবচেয়ে আলোচিত বুথে পুনর্নির্বাচনের দিনক্ষণ স্থির করে ফেলল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। আগামী ২৯ তারিখ অর্থাৎ রাজ্যে শেষ দফা ভোটের দিন বাকি ৩৫ আসনের সঙ্গে ফের ভোট নেওয়া হবে শীতলকুচির ১২৬ নং বুথেও। ওই দিন ভোটের নির্ধারিত সময় অর্থাৎ সকাল ৭ টা থেকে সন্ধে ৬.৩০ পর্যন্ত ভোট দিতে পারবেন ভোটাররা। সোমবার সন্ধেবেলা নির্বাচন কমিশনের তরফে এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
গত ১০ তারিখ, রাজ্যে চতুর্থ দফা ভোটের দিন কোচবিহারের শীতলকুচি (Sitalkuchi) বিধানসভা কেন্দ্রের জোড়পাটকির ১২৬ নং বুথে ঘটে গিয়েছিল অপ্রত্যাশিত ঘটনা। বুথের বাইরে জমায়েত হঠাতে গুলি চালায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। তাতে মৃত্যু হয় ৪ জনের। এ নিয়ে তোলপাড় হয়ে ওঠে ভোটের বঙ্গ। সেখানে ফের ভোটগ্রহণের দাবি ওঠে। গোটা ঘটনা এতটা স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে যাতে সবদিক খতিয়ে দেখে তবেই সেখানে ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানায় নির্বাচন কমিশন। তার জন্য় সবরকম তথ্যপ্রমাণ ভালভাবে খতিয়ে দেখা হয়। সেখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক, নির্বাচনী আধিকারিকদের থেকে রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরও রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দপ্তর থেকেও রিপোর্ট চাওয়া হয়।
[আরও পড়ুন: কঠিন সময়ের মুখোমুখি বঙ্গবাসী, রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা পেরোল ১১ হাজারের গণ্ডি]
এই ঘটনার পর কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে শোরগোল পড়ে যায় রাজ্যে। আত্মরক্ষার্থে গুলি চালানো হয়েছে, এই মর্মেই নিজেদের যুক্তি পেশ করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিজেপিও তাঁদের সমর্থনে রাজনৈতিক প্রচারে নামে। তবে পালটা তৃণমূল-সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলি বাহিনীর এই ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। এ নিয়ে জল গড়ায় বহুদূর। সমস্ত খতিয়ে দেখে সোমবার কমিশন ঘোষণা করে, ২৯ তারিখ শেষ দফার ভোটের সঙ্গেই জোড়পাটকির ১২৬ নং বুথে ফের ভোট হবে।
[আরও পড়ুন: জ্বর নিয়েই গোসাবা থেকে ছুটে এলেন ক্যানিং, করোনা পরীক্ষার লাইনে দাঁড়িয়ে মৃত্যু প্রবীণের]
সর্বশেষ খবর
-
রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনা, নিউটাউনে দু’টি বাইকের সংঘর্ষে মৃত্যু নিরাপত্তারক্ষীর
-
দিনের পর দিন টাট্টু ঘোড়ার সঙ্গে যৌনতা! জেলে ব্রিটিশ কিশোর
-
রাজ্যবাসীকে ‘ফেস্টিভ প্যাকেজ’ উপহার খাদ্যমন্ত্রীর! ৫০ শতাংশ ছাড়ে মিলবে রেশন সামগ্রী
-
খুদে দুর্গা গড়েই চমক! দেশ-বিদেশে পাড়ি কৃষ্ণনগরের কৃশানুর অভিনব শিল্পকর্ম
-
‘তার মানে বিচার হবে’, অভয়া সৎকার মামলা সিবিআইয়ের হাতে যাওয়ার পর বললেন মা রত্না