চলতি বছরই ফের রাজ্যে প্রাথমিক টেট পরীক্ষা

বিজ্ঞপ্তি জারি হচ্ছে...

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০১৯, ১৪:৫৩

options
link
চলতি বছরই ফের রাজ্যে প্রাথমিক টেট পরীক্ষা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষা নিয়োগ নিয়ে অবশেষে জট কাটল। শুক্রবার রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানালেন, জলঘোলা কাটাতে নতুন করে নেওয়া হবে টেট পরীক্ষা। সূত্রের খবর, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে এ বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হল রাজ্যের তরফে।

Advertisement

শোনা যাচ্ছে, চলতি মাসের শেষের দিকেই টিচার্স এলিজিবিলিটি টেস্ট (টেট) পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি জানানো হতে পারে। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বাতিল নিয়োগপত্র। ফের শর্তসাপেক্ষে দেওয়া হবে নিয়োগপত্র। একাধিক সমস্যার জেরে নিয়োগজটে আটকে ছিলেন বেশ কিছু সংখ্যক প্রার্থী৷ সেই জট কাটাতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য সরকার৷ সবদিক পর্যালোচনা করে সমস্ত যোগ্য প্রার্থীকেই চাকরির সুযোগ করে দিচ্ছে পর্ষদ৷ শুক্রবার পর্ষদের তরফে বেশ কয়েকজন প্রার্থীকে কাউন্সেলিং করে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়৷ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, রাজ্যে শীঘ্র ফের টেট নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ প্রস্তুত রয়েছে পর্ষদ৷ সব ঠিকঠাক থাকলে চলতি বছরই ফের লিখিতভাবে টেট পরীক্ষা নেওয়া হবে বলেই খবর।

Advertisement

[২০টি নিউক্লিয়ার মিসাইল নিয়ে ন্যাটোর ‘সুইমিংপুলে’ নজর রুশ সাবমেরিনের]

মানিকবাবু জানান, প্রাথমিকে কর্মরত টেট উত্তীর্ণ পার্শ্বশিক্ষক, যাঁরা সরকারি নথিভুক্ত, তাঁদের প্রত্যেককে এদিন নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে৷ দু’বছরের ডিএলইডি কোর্সের কিছু প্রার্থী এক বছরের সার্টিফিকেট জমা দিয়েছিলেন৷ এমন ৭২ জন প্রার্থীকেও নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে৷ ২০৭ জন টেট উত্তীর্ণ প্রশিক্ষিত প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি৷ তাঁদের চাকরিতে যোগ দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে৷ পাশাপাশি জমিহারা এক্সেমটেড ক্যাটেগরির ৫৬ জনকেও নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে৷ তবে ভোটের জন্য আপাতত পূর্ব মেদিনীপুরে নিয়োগ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান স্থগিত রয়েছে৷ পশ্চিম মেদিনীপুরের প্রার্থীদের ক্ষেত্রে আগামী সপ্তাহেই বাকি থাকা নিয়োগ সম্পন্ন করা হবে৷

Advertisement

[সহকর্মীর সঙ্গে সহবাস করে ব্ল্যাকমেল, রাজারহাটে ধৃত আইটি কর্তা]

আদালতের নির্দেশ মেনে ইতিমধ্যেই ২৬০জন প্রশিক্ষিতদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে রাজ্যের তরফে। রাজ্যে মোট ৪২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও দেখা যায়, বিভিন্ন জেলার স্কুলে নিয়োগপত্র বাতিল হওয়ায় শূন্যপদ রয়ে গিয়েছে। ফলে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও চাকরি না পাওয়ায় বিক্ষোভ ছড়িয়েছিল। এবার শর্তসাপেক্ষে নতুন করে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হবে। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, আদালতের নির্দেশ মেনেই এগোবে রাজ্য।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.