দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: নির্বাচনী আবহে (Panchayat Poll) রাজ্যে অশান্তি নিয়ে বারবার কড়া বার্তা দিয়েছেন রাজ্যপাল। আর এবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ৪৮ ঘণ্টার ডেডলাইন বেঁধে দিলেন সিভি আনন্দ বোস। বাসন্তীর নিহত তৃণমূল কর্মীর মেয়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পর একথা বলেন তিনি।
সোমবার বাসন্তীতে গেলেও নিহতের বাড়িতে পৌঁছতে পারেননি রাজ্যপাল। পরে ক্যানিংয়ের সেচদপ্তরের গেস্ট হাউসে ডেকে পাঠান বাসন্তীর নিহত তৃণমূল কর্মীর মেয়েকে। রাজ্যপালের কাছে বাবার মৃত্যুর তদন্ত দাবি করেন। এরপর রাজ্যপাল সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। বলেন, “রাজ্যে সন্ত্রাস চলছে। কারা অশান্তি ছড়াচ্ছে আমার কাছে তথ্য আছে। কে হিংসা ছড়াচ্ছে, তা আমার কাছে বড় কথা নয়। হিংসায় সাধারণ মানুষের ক্ষতি হচ্ছে, এটাই বড় কথা। রক্তের হোলি বন্ধ হওয়া উচিত।”
[আরও পড়ুন: ভোটের চারদিন আগে ফের মৃত্যু, বোমা বাঁধার সময় বিস্ফোরণে প্রাণ গেল যুবকের]
ইতিমধ্যেই রাজ্যের একাধিক হিংসা বিধ্বস্ত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন রাজ্যপাল। সেই অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে রাজ্যপাল বলেন, “বাসন্তী, ক্যানিং, ভাঙড়, শিলিগুড়ি, কোচবিহার অশান্ত। এলাকায় গিয়ে আমি পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছি। হাসপাতালে আহতদের সঙ্গে দেখা করেছি। চিকিৎসা পরিকাঠামো রয়েছে কিনা দেখেছি।”
এরপর রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে রাজধর্ম পালনের বার্তা দেন রাজ্যপাল। বলেন, “সুষ্ঠু ভোটের জন্য কলকাতা হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট করানো। হিংসার দুঃখজনক অধ্যায় শেষ হওয়া উচিত। হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী নির্বাচন প্রক্রিয়া চালাতে হবে। ৪৮ ঘণ্টা আমি অপেক্ষা করব। কী ব্যবস্থা নেওয়া হয় দেখব। যা ব্যবস্থা নেওয়া হবে তার রিপোর্ট কার্ড মানুষ দেবে।”
[আরও পড়ুন: পুলিশি ‘চক্রান্ত’, বাসন্তী পৌঁছেও নিহত TMC কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা হল না বোসের]
সর্বশেষ খবর
-
এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ বধূ
-
‘খুব বাঁচা বেঁচেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ’, রচনার সুরবদলের পরই কেন একথা বললেন মনোরঞ্জন?
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! ১০৫০ দিন পর সিরিজ হার ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের