অরূপ বসাক, মালবাজার: সংসারে কাজ থাকে। বাইরেও খেটে উপার্জন করতে হয়। সামনে আবার পঞ্চায়েত ভোট। প্রচার তো করতে হবে! তাই সংসারের কাজ ও কর্মক্ষেত্রের দায়িত্ব সেরে তারপর কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বাড়ি বাড়ি ভোট প্রচার করছেন জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের ১৭ নং আসনের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সীমা সরকার।
মা মাটি মানুষের সরকারের উন্নয়নই এবার হাতিয়ার সীমাদেবীর। সেই উন্নয়নের কথা জানিয়েই প্রচার চালাচ্ছেন তিনি। এবারের নির্বাচনে জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের ১৭ নং আসনের প্রার্থী সীমা সরকার। পেশায় শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের সহায়িকা। পাশাপাশি আরও একটি পরিচয় রয়েছে তাঁর। তৃণমূলের মালবাজার মহকুমার মেটেলি ব্লক সভাপতি সোনা সরকারের স্ত্রী তিনি। সীমা দেবী জানান, ‘স্কুলের ডিউটি ও সংসারের কাজ করে বর্তমানে রোজ প্রচারে বের হচ্ছি। সংশ্লিষ্ট এলাকার তৃণমূল কর্মী ও গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থীরা এই প্রচারে সঙ্গ দিচ্ছেন।’
[কমিশনের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ আদালত, প্রধান বিচারপতির এজলাসে শুনানি মঙ্গলবার]
যে ভাবে প্রচারে মানুষের সাড়া সীমাদেবী পাচ্ছেন, তাতে জয়ের ব্যাপারে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত তিনি। সরকার মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য-সহ অন্যান্য বিষয়ে যে সকল কাজ সরকার করেছে। যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে শাসকদল। সেই কাজগুলোকেই জনগণের কাছে তুলে ধরা হচ্ছে বলে জানান তৃণমূল প্রার্থী। উল্লেখ্য, মেটেলি ব্লকের মাটিয়ালি বাতাবাড়ি ১, ২ এবং বিধাননগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা নিয়ে জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের ১৭ নং আসন। এই আসনে আবার চারমুখী লড়াই হচ্ছে। তৃণমূল ছাড়াও সিপিএম, বিজেপি ও কংগ্রেসের প্রার্থী রয়েছে। তবে প্রচারে এখন পর্যন্ত এগিয়ে তৃণমূলের প্রার্থী সীমা সরকারই। তাই তাঁর জয়ের বিষয়ে আশাবাদী রাজনৈতিক মহল।
[‘ভোটের দিন অচেনা কাউকে দেখলে পালিশ করে দিন’, দিলীপের মন্তব্যে বিতর্ক]
সর্বশেষ খবর
-
যুদ্ধ আবহে চরমে জ্বালানি-জ্বালা! ‘২০৪৭-এ বিকশিত ভারত গড়বই’, লালকেল্লায় ‘আত্মনির্ভরতা’র বার্তা মোদির
-
‘কর্মযোগ’ ও ‘স্বাধীনতা’-র ধারণা দিয়েছিলেন ঋষি অরবিন্দ
-
‘তেল পাবেন না, গ্যাস পাবেন না, মানুষকে ভয় দেখিয়েই আনন্দ’, লালকেল্লায় বিরোধীদের বিঁধলেন মোদি
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর