সরাসরি
মাও সন্ত্রাস নিয়ে বার্তা মোদির
মোদি বলেন, "অস্ত্রধারী মাওবাদীদের নিমূল করার লক্ষ্যে দেশ। মাও সন্ত্রাসে শহিদ হয়েছেন ৩ হাজার পুলিশ। মাওবাদী মানসিকতার মানুষ সব জায়গায় রয়েছে। জঙ্গলে যারা বন্দুক হাতে লড়াই করে তাদের চেয়েও বেশি ভয়ংকর 'মস্তিষ্ক নকশাল'। তাদের নির্মূল করা এখনও বাকি।" 'মিশন সুদর্শন চক্র' দ্রুত কাজ করছে।
যুবসমাজকে বার্তা মোদির
মোদি বলেন, "বিকশিত ভারতের মূল ভিত্তি আমাদের যুবসমাজ। দেশে আড়াই লক্ষের বেশি স্টার্টআপ। স্টার্টআপের গড় আয়ু ২৮ বছর। ডিজিটাল ইন্ডিয়ায় ডেটা যুবসমাজকে শক্তিশালী করেছে। নিজের স্বপ্নপূরণে এগিয়ে যাক তরুণরা। স্কিল ইন্ডিয়া, খেলো ইন্ডিয়া হয়েছে। জাতীয় শিক্ষানীতিতে বদল আনা হয়েছে। ২০০৪-২০১৪ সালে তিনশোরও কম বিশ্ববিদ্যালয় ছিল। গত ১০-১২ বছরে ৬০০-র বেশি হয়ে গিয়েছে। নতুন নতুন আয়ের রাস্তা খুলেছে। আগামী এক বছরে এক কোটি যুবককে এআই নিয়ে প্রশিক্ষণের বন্দোবস্ত করা হবে।"
কংগ্রেস-সহ বিরোধীদের বার্তা মোদির
মোদি বলেন, "অনেকে বলছেন ইউক্রেনে যুদ্ধ হচ্ছে। গ্যাস পাবেন না। পেট্রল পাম্পে তেল পাবেন না। কিছু লোকের আনন্দ হচ্ছিল দেশবাসীকে ভয় দেখিয়ে। চাষিদের ভয় দেখানো হচ্ছে ইউরিয়া পাবেন না। তবে যাতে কারও কোনও সমস্যা না হয় ভারত প্রস্তুত ছিল। করোনা থেকে জ্বালানি নিয়ে অপপ্রচার করেছেন বিরোধীরা।"
পরমাণু পথে ভারত
মোদি বলেন, "ভারতে ৩ সেমি কন্ডাক্টর প্লান্ট কাজ করছে। ভারতে তৈরি সেমি কন্ডাক্টর রপ্তানি হচ্ছে। আগামী দিনে ৮টি সেমি কন্ডাক্টর প্লান্ট হবে। ৫টি নতুন পরমাণু চুল্লি এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে ১০০ গিগাওয়াট পরমাণু শক্তি উৎপাদনের লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে ভারত। আমাদের নিজেদের ক্ষমতাবৃদ্ধি করতে হবে। নিজের স্বার্থ নিজেকে রক্ষা করতে হবে।"
বিকশিত ভারতের সংকল্প
"২০৪৭ সালে বিকশিত ভারত গড়ার সংকল্প প্রধানমন্ত্রী। আজকের ভারত নতুন স্বপ্ন দেখছে। বড় স্বপ্ন দেখার সময় এসেছে। গত ১২ বছরে দেশের কোটি কোটি মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করে চলেছি। তার ফলে গরিবি থেকে বেরিয়ে স্বচ্ছলতার মুখ দেখেছেন কোটি কোটি দেশবাসী। অর্থনীতি সমৃদ্ধ করেছে। ঘরে ঘরে জল পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ডিজিটাল ক্ষেত্রে এগিয়েছে দেশ।"
৮০ তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
স্বাধীনতার ৮০ তম বছরে নজর এখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বার্তার দিকে। দিল্লির লালকেল্লার প্রাচীর থেকে মোদির ভাষণের দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ। এবার তাঁর বক্তব্যে ছাত্র, যুব ও তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা থাকার সম্ভাবনা প্রবল। 'বন্দে মাতরম'-কে সামনে রেখে জাতীয়তাবাদ, দেশের অর্থনীতির গতি এবং ক্রীড়াক্ষেত্রে ভারতীয়দের সাফল্যের মতো বিষয়ও তাঁর ভাষণে বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে। দেশের আগামী প্রজন্মের ভূমিকা ও ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে দিশা মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।