নিরুফা খাতুন: দক্ষিণবঙ্গে দারুণ অগ্নিবাণ! বর্ষা আসি আসি করেও আসছে না। আপাতত আসার সম্ভাবনাও নেই। ফলে আগামী কয়েকদিন শুষ্ক, উষ্ণ আবহাওয়ার জ্বলুনি আর সেইসঙ্গে তীব্র ঘর্মাক্ত পরিবেশ সহ্য করতেই হবে দক্ষিণবঙ্গবাসীকে। এমনই দুঃসংবাদ শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি থাকায় অস্বস্তি জারি থাকবে। বেশ কয়েকটি জেলায় উষ্ণতার পারদ চড়বে অনেকটাই। হাসফাঁস দশায় কাটতে চলেছে দিনটা।
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা যাচ্ছে, আপাতত দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার অনুকূল পরিবেশ নেই। ১২ জুন পর্যন্ত এমনই আবহাওয়া থাবে। তাই উত্তরবঙ্গেই থমকে মৌসুমী বায়ু। ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। কলকাতা-সহ আশপাশের জেলাগুলি শুষ্ক ও উষ্ণ আবহাওয়ার প্রভাব। চড়চড় করে বাড়তে পারে তাপমাত্রার পারদ। আগামী ২, ৩ দিন কাটবে প্রবল অস্বস্তিতে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পুরুলিয়া তীব্র গরম অনুভূত হবে। বুধবার পর্যন্ত একইরকম আবহাওয়া থাকবে বলে পূর্বাভাস। বুধবারের পর থেকে ঝড়বৃষ্টিতে ভিজতে পারে উপকূল লাগোয়া কয়েকটি জেলা। দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সবক’টি জেলায় হাওয়া বদলের সম্ভাবনা।
এদিকে, উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা তেমন নেই। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে রোজই কমবেশি বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। তবে মালদহ ও দুই দিনাজপুরে তাপমাত্রা বাড়বে। কলকাতায় আপাতত দিন ও রাতের তাপমাত্রা একইরকম থাকবে বলে পূর্বাভাস আবহাওয়া দপ্তরের।
এদিকে, উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা তেমন নেই। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে রোজই কমবেশি বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। তবে মালদহ ও দুই দিনাজপুরে তাপমাত্রা বাড়বে। কলকাতায় আপাতত দিন ও রাতের তাপমাত্রা একইরকম থাকবে বলে পূর্বাভাস আবহাওয়া দপ্তরের। সোমবার সকালের তাপমাত্রা ২৯.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে এক ডিগ্রি বেশি। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠতে পারে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৫৭ থেকে ৯৪ শতাংশ।
সর্বশেষ খবর
-
প্রথমবার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় কানাডা, ‘তোমরাই নায়ক’, ঐতিহাসিক জয়ে উচ্ছ্বসিত কোচ
-
৭০ লক্ষ টাকা ‘তোলাবাজি’, গ্রেপ্তার ফিরহাদ ‘ঘনিষ্ঠ’ প্রাক্তন কাউন্সিলর শামস ইকবাল
-
ট্রাম্পের রোষে কঙ্গোর সুপার ফ্যান! মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পেলেন না মিচেল
-
এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ বধূ
-
‘খুব বাঁচা বেঁচেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ’, রচনার সুরবদলের পরই কেন একথা বললেন মনোরঞ্জন?