Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৩ অক্টোবর ২০২৬
Rachana Banerjee

‘খুব বাঁচা বেঁচেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ’, রচনার সুরবদলের পরই কেন একথা বললেন মনোরঞ্জন?

ঠিক কী বলেছেন বলাগড়ের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৮, ২০২৬, ২৩:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৮, ২০২৬, ২৩:৪০

options
link
‘খুব বাঁচা বেঁচেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ’, রচনার সুরবদলের পরই কেন একথা বললেন মনোরঞ্জন? zoom
বলাগড়ের প্রাক্তন বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী। ছবি-সোশাল মিডিয়া।
Advertisement

বলাগড়ের তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বারবার সোশাল মিডিয়ায় সরব হয়েছিলেন প্রাক্তন বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী। তার জেরে শাস্তির মুখেও পড়তে হয়েছিল। দলের কাজ থেকে সরানোর পাশাপাশি চলতি বছরে টিকিটও দেওয়া হয়নি। তৃণমূলের ভাঙনের মরশুমে হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ও স্রোতে ভেসে সুরবদল করেছেন। আর তারপরই সোশাল মিডিয়ায় তাঁকে বিঁধলেন মনোরঞ্জন। লিখলেন, ‘রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় পালটি মেরেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ সঠিক সময়ে আমাকে তৃণমূল থেকে বহিষ্কার করার জন্যে। নাহলে আজ আমার খুবই আফসোস হতো, সমস্ত পরিশ্রম জলে চলে গেল বলে।’

প্রথম জীবনের রিকশা চালাতেন। তারপর শুরু সাহিত্যিকের জীবন। তবে অর্থাভাব কোনওদিন কাটেনি। পরবর্তীতে ২০২১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন মনোরঞ্জন ব্যাপারী। বলাগড় থেকে তাঁকে প্রার্থী করেছিল দল। জিতেও এসেছিলেন। তবে এলাকার তৃণমূল নেতাদের ‘অন্যায়ে’র সঙ্গে কোনওদিনই খাপ খাইয়ে নিতে পারেননি তিনি। তাই একাধিক ইস্যুতে সরব হয়েছেন। সোশাল মিডিয়াতেও দলের বিরুদ্ধে নানারকম মন্তব্য করেছেন। শাস্তিও মিলেছে। ভরা সভায় তাঁকে দলের কাজ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন খোদ মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

 রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুরবদল হতেই ফেসবুক পোস্টে স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সেকথা মনে করিয়ে দিলেন মনোরঞ্জন। লিখলেন, ‘আমার কোনও আক্ষেপ নেই। রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় পালটি মেরেছে। সত্যি বলছি আমার এতে কোনও আক্ষেপ নেই। আক্ষেপ তখন হতো যদি রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ২৪-এর লোকসভার ভোটে জয়ী করার জন্য আমি কোনও পরিশ্রম করতাম।‌ যখন তাঁর নির্বাচনে প্রচার চলেছিল আমি তখন নাকে তেল দিয়ে শুয়ে ঘুমাচ্ছিলাম। কারণ, মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক জনসভায়  প্রকাশ্য মঞ্চে দাঁড়িয়ে আমাকে দলের সমস্ত কাজ কর্ম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আজ তাই ধন্যবাদ জানাচ্ছি মাননীয়াকে, সঠিক সময়ে আমায় তৃণমূল থেকে বহিষ্কার করার জন্যে। নাহলে আজ আমার খুবই আফসোস হতো সমস্ত পরিশ্রম জলে চলে গেল বলে। খুব বাঁচা বেঁচে গিয়েছি সেই মনোকষ্ট থেকে।’ উল্লেখ্য, পালাবদলের পর একে একে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রায় সমস্ত বিশ্বস্ত সৈনিকই তাঁকে ছেড়ে চলে গিয়েছেন। সম্প্রতি রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকাশ্যে বলেছেন, ‘সেলিব্রিটি বলেই উনি আমাকে ইউজ করেছেন।’

 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.