West Bengal Assembly Election

বাংলায় বেনজির! প্রত্যেক ইভিএমে জিপিএস ট্র্যাকার, ‘কারচুপি’ নিয়ে কী জবাব কমিশনের

আগামী ২৯ এপ্রিল রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। কলকাতা-সহ একাধিক 'হেভিওয়েট' কেন্দ্রে ভোট রয়েছে। প্রথমদফার মতোই দ্বিতীয়দফাও যাতে শান্তিপূর্ণ হয় সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে কমিশন।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ১৬:০৪

options
link
বাংলায় বেনজির! প্রত্যেক ইভিএমে জিপিএস ট্র্যাকার, ‘কারচুপি’ নিয়ে কী জবাব কমিশনের
ফাইল ছবি

প্রথমদফায় অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখেছে বাংলা। উৎসবের মেজাজে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা। প্রায় ৯২ শতাংশ ভোট পড়েছে রাজ্যের ১২৫টি আসনে। কিন্তু প্রথমদফার ভোট মিটতেই ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ তুলছে শাসক-বিরোধী দু’পক্ষই। এমনকী এই বিষয়ে সরব হয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। কিন্তু সেই আশঙ্কা উড়িয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। এই প্রথম বাংলায় ইভিএমে জিপিএস ট্র্যাকিং রয়েছে। ফলে কারচুপির কোনও জায়গা নেই বলেই জানালেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল।

Advertisement

আগামী ২৯ এপ্রিল রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। কলকাতা-সহ একাধিক ‘হেভিওয়েট’ কেন্দ্রে ভোট রয়েছে। প্রথমদফার মতোই দ্বিতীয়দফাও যাতে শান্তিপূর্ণ হয় সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে কমিশন। পরিস্থিতি সরজমিনে খতিয়ে দেখতে ফের একবার ময়দানে নেমেছেন মনোজ আগরওয়াল। আজ, শনিবার ভোট প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে যান আরামবাগে যান তিনি। সেখানে সমস্ত রাজনৈতিক দল, পুলিশ অবজার্ভার, প্রশাসনের আধিকারিকদের নিয়ে উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠক সারেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। আর সেই বৈঠক থেকে একাধিক ইস্যুতে কথা বলেন তিনি। ইভিএমে কারচুপি প্রসঙ্গে মনোজ আগরওয়াল জানান, এবারই প্রথম বাংলায় ইভিএমে জিপিএস ট্র্যাকিং ব্যবহার করা হয়েছে। তাই কোনও অসুবিধা নেই। তবে রিজার্ভ ইভিএম, লাইট নিয়ে বেশ কিছু অভিযোগ এসেছিল। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ইভিএমে কারচুপি প্রসঙ্গে মনোজ আগরওয়াল জানান, এবারই প্রথম বাংলায় ইভিএমে জিপিএস ট্র্যাকিং ব্যবহার করা হয়েছে। তাই কোনও অসুবিধা নেই। তবে রিজার্ভ ইভিএম, লাইট নিয়ে বেশ কিছু অভিযোগ এসেছিল। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক।

শুধু তাই নয়, রিপোল প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রতি মুহূর্তে যা অভিযোগ এসেছে, তার ভিডিও ফুটেজ আমরা খতিয়ে দেখেছি। তাতে আমরা সন্তুষ্ট। আর তাই প্রথমদফায় কোনও রিপোলের প্রয়োজন হয়নি। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানান, আমরা আগেই জানিয়েছিলাম, বুথে কোনও অভিযোগ এলে তার সম্পূর্ণ দায়ভার হবে কেন্দ্রীয়বাহিনীর। শুধু তাই নয়, বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে ভোটার ছাড়া কেউ ঢুকতে পারেনি। ক্যামেরা ছিল সব বুথে। ফলে নাগরিকদের ভোট সুরক্ষিত রয়েছে বলেই জানিয়েছেন মনোজ

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন