Nipah virus

‘আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই’, নিপা ভাইরাসের নয়া গাইডলাইন বেঁধে দিল রাজ্য

এখনও পর্যন্ত রাজ্যে সরকারিভাবে নিপা আক্রান্ত দু’জন। রোগী শনাক্ত হওয়ার পরেই কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং নিয়ে নিঁখুত কাজ করেছে স্বাস্থ্য দপ্তর।

Advertisement
অভিরূপ দাস
অভিরূপ দাস

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ২১:৩৬

options
link
‘আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই’, নিপা ভাইরাসের নয়া গাইডলাইন বেঁধে দিল রাজ্য

মানব শরীরের বাইরে বেশিক্ষণ বাঁচতে পারে না নিপা ভাইরাস। তার পরমায়ু পাঁচ মিনিট থেকে ঘন্টা দুয়েক। চড়া রোদে নিষ্ক্রিয় নিস্তেজ হয়ে যায় দ্রুত। এমতাবস্থায় নিপা নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হতে বারণ করছেন রাজ্যের জনস্বাস্থ‌্য আধিকারিকরা। শুক্রবার রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের পাঁচ সদস্যের চিকিৎসক দল তৈরি করেছে নিপা ভাইরাসের নয়া গাইডলাইন। সেখানে বলা হয়েছে, নিপা আক্রান্ত হলে ২১ দিনের নিভৃতবাস আবশ্যিক।

Advertisement

জনস্বাস্থ‌্য আধিকারিক ডা. অনির্বাণ দলুই জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।
এখনও পর্যন্ত রাজ্যে সরকারিভাবে নিপা আক্রান্ত দু’জন। রোগী শনাক্ত হওয়ার পরেই কনটাক্ট ট্রেসিং নিয়ে নিঁখুত কাজ করেছে স্বাস্থ‌্য দপ্তর। ডা. অনির্বাণ দলুইয়ের আশ্বাস, ‘‘যাঁরা ওই দুই আক্রান্তের সংস্পর্শে এসেছেন তাঁদের ছাড়া কারও ভয় পাওয়ার কিচ্ছু নেই। করোনার মতো ছড়ায় না নিপা ভাইরাস। শুধুমাত্র আক্রান্ত ব‌্যক্তির লালারস, হাঁচি-কাশির ড্রপলেট থেকেই তা ছড়াতে পারে।’’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এরই মধ্যে নিপায় আক্রান্ত, উপসর্গযুক্ত রোগী এবং তাঁদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তি ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য স্পষ্ট নিয়মাবলি নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ‌্য দপ্তর। যেখানে বলা হয়েছে শুধুমাত্র যাঁরা নিপায় আক্রান্তদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ একঘরে খুব কাছাকাছি কাটিয়েছেন তারাই ঝুঁকিপূর্ণ। এদের মধে‌্য যদি কারও কোনও উপসর্গ না থাকে তাঁদেরও ২১ দিন নিভৃতবাসের পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ‌্যদপ্তর। স্বাস্থ‌্যকর্মীরা দিনে দু’বার তাঁদের ফোন করে স্বাস্থ‌্য সম্পর্কিত খোঁজ খবর করবেন বলেও জানানো হয়েছে।

Advertisement

প্রসঙ্গত, আগেই নিপাকে রুখতে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। বিশেষত ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন। বাদুড় কিংবা অন্যান্য পশুর কামড় দেওয়া ফল ভুলেও খাবেন না। বিশেষত খেজুর রস এই সময় না খাওয়াই উচিত। পেয়ারা, লিচু খাওয়ার ক্ষেত্রেও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। রাস্তাঘাটে কাটা ফল এই সময়ে না খাওয়াই ভালো। নইলে পুষ্টির পরিবর্তে সংক্রমণের সম্ভাবনাই বেশি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন