দৌলতাবাদের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে উদ্যোগ, জেলায় জেলায় ‘আপৎ মিত্র’

দ্রুত উদ্ধারকাজে জেলাপিছু ২০০ জনকে প্রশিক্ষণ।  

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২, ২০১৮, ১৫:২৮

options
link
দৌলতাবাদের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে উদ্যোগ, জেলায় জেলায় ‘আপৎ মিত্র’

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দৌলতাবাদে বিলে বাস। উদ্ধারকাজে কিছুটা দেরি। তার জেরে মৃত্যুমিছিল। মুর্শিদাবাদের ঘটনার পুনারবৃত্তি ঠেকাতে উদ্যোগী হল রাজ্য প্রশাসন। বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য প্রতিটি জেলায় তৈরি হচ্ছে বিশেষ দল। যার পোশাকি নাম ‘আপৎ মিত্র’।

Advertisement

ইতিমধ্যে পাইলট প্রজেক্ট হিসাবে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে তা শুরু হয়েছে। পরবর্তীতে মুর্শিদাবাদে স্থানীয়দের এই কাজে নামানো হবে। এরপর একে একে প্রতিটি জেলায় কাজে নামবে বাহিনী।

Advertisement

[‘মত্ত’ চালকের হাতে স্টিয়ারিং, পুলকার উলটে জখম ১০ পড়ুয়া]

Advertisement

কেন আপ মিত্র বাহিনী?

নবান্নে সূত্রে খবর, যে কোনও ধরনের বিপর্যয়ের সময় এই দল সবার আগে পৌঁছে যাবে। এর জন্য প্রতি জেলা থেকে ২০০ জন যুবক-যুবতীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। কারণ মুর্শিদাবাদের ঘটনার সময় শুরুতে স্থানীয় লোকজন উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন। প্রশাসন মনে করছে তাদের ঠিকমতো প্রশিক্ষণ থাকলে আর কয়েকজনকে হয়তো বাঁচানো যেত। এই লক্ষ্যেই আপৎ মিত্র বাহিনীকে কাজে লাগানো হবে। যারা খবর পাওয়া মাত্র ঝাঁপিয়ে পড়বে।

[পথের শিশুকে কোলে তুলে স্বপ্নপূরণ দম্পতির]

কীভাবে বাহিনী কাজ করবে?

প্রতিটি জেলায় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর দপ্তর রয়েছে। আপৎ মিত্র বাহিনী তাদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে চলবে। কোনও ঘটনা ঘটলে তারা খবর দেবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। পাশাপাশি তারাই শুরুতে উদ্ধারকাজে নেমে পড়বে। এরপর বিপর্যয় মোকাবিলী বাহিনী বা এনডিআরএফ এলে তাদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ করবে।

MSD-DOULATABAD-BUS.jpg-2

আপ মিত্রদের জন্য অত্যাধুনিক প্রশিক্ষণ

জেলা পিছু ২০০ জন মিত্রকে অত্যাধুনিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তাদের কাছে থাকবে স্যাটেলাইট ফোন। দেওয়া হবে সরঞ্জাম। যে ফোনের মাধ্যমে তারা কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলতে পারবে। তাদের কাজকর্মও নবান্ন থেকে জানা যাবে। তার জন্য রাজ্যের প্রধান প্রশাসনিক ভবনেও তৈরি হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।

[ভারতী ঘোষের বাড়িতে সিআইডি অভিযান, গ্রেপ্তার বেলদার ওসি প্রদীপ রথ]

দৌলতাবাদে সেতু ভেঙে বাসটি বিলের জলে পড়ে যায়। উদ্ধারকাজে দেরি হচ্ছে। এমন অভিযোগে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের প্রতিবাদে উত্তপ্ত হয় গোটা এলাকা। উদ্ধারকাজ বাধা পায়। প্রশাসন সূত্রে খবর, এই বাহিনীর সদস্যরা ভূমিপুত্র হওয়ায় তাঁরা নিজেদের  এলাকা ভাল করে জানবেন। এর ফলে উদ্ধারকাজ নিয়ে মানুষের কোনও অভাব-অভিযোগ থাকলে বাহিনীর সদস্যরা তা বুঝে নিতে পারবেন। কারণ তাঁরা ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাবেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.