শুকনো গাছের ডাল ভেঙে পড়ে চলে যায় তরতাজা প্রাণ। বনগাঁর বাসিন্দা ২৫ বছরের যুবক বাপন বিশ্বাসের অকস্মাৎ মৃত্যুতে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে মধ্যবিত্ত ওই পরিবারের উপরে। এবার রাজ্য সরকার ওই পরিবারের পাশে দাঁড়াল। সরকারের তরফে চার লক্ষ টাকা অর্থসাহায্য করা হল। আজ, শুক্রবার বনগাঁর সিকদারপল্লির ওই বাড়িতে উপস্থিত হন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া। তিনি ওই পরিবারের হাতে রাজ্য সরকারের তরফে ওই আর্থিক সাহায্যের চেক তুলে দেন। উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিডিও। যশোর রোডের উপর থাকা মৃত ও বিপজ্জনক গাছ দ্রুত কাটা হবে বলেও মন্ত্রীর তরফে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল চলতি মাসের ৫ তারিখে। যশোর রোড ধরে যাচ্ছিলেন বাপন বিশ্বাস। অকস্মাৎ তাঁর উপরে শুকনো গাছের ঢাল ভেঙে পড়ে। কিছু সময়ের মধ্যেই মৃত্যু হয় তাঁর। সংসারের একমাত্র রোজগেরে ছিলেন বাপন। তাঁর মৃত্যুতে ওই পরিবারের মাথায় কার্যত আকাশ ভেঙে পড়ে। বাপনের ছোটভাই এখনও নাবালক। দুর্ঘটনার পরে ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী বনগাঁ এলাকার বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়া। পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাসও দেওয়া হয়। সেই কথা রাজ্য সরকার। ওই পরিবারকে সরকারের তরফে ৪ লক্ষ টাকা অর্থ সাহায্য দেওয়া হল।
বনগাঁ এলাকায় যশোর রোডের উপর প্রচুর সংখ্যায় গাছ রয়েছে। একাধিক গাছ মারা গিয়েছে। বহু গাছের শুকনো ডাল ভেঙেও দুর্ঘটনা ঘটছে। এমনই শুকনো ডাল ভেঙেই মৃত্যু হয় বাপনের। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই শুকনো ডাল ভেঙে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।
এদিন মন্ত্রী নিজে ওই বাড়িতে উপস্থিত হন। তাঁর উপস্থিতিতে বনগাঁর মহকুমাশাসক শুভম মৌর্য মৃতের পরিবারের হাতে ওই চেক তুলে দেন। মন্ত্রী এদিন জানিয়েছেন, মৃতের ভাই এখন নাবালক। সে প্রাপ্তবয়স্ক হলে অশোক কীর্তনিয়া নিজে তার আগামী দিনে পথ চলার জন্য পাশে থাকবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বনগাঁ এলাকায় যশোর রোডের উপর প্রচুর সংখ্যায় গাছ রয়েছে। একাধিক গাছ মারা গিয়েছে। বহু গাছের শুকনো ডাল ভেঙেও দুর্ঘটনা ঘটছে। এমনই শুকনো ডাল ভেঙেই মৃত্যু হয় বাপনের। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই শুকনো ডাল ভেঙে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু প্রশাসনের তরফে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না! শুকনো ডাল, মৃত গাছ কাটা হচ্ছে না বলেও স্থানীয়দের অভিযোগ।
এই বিষয়ে মন্ত্রী জানিয়েছেন, তৃণমূল আমলে এই এলাকার শুকনো গাছের ডাল কাটার কোনও ব্যবস্থাই হয়নি। নতুন রাজ্য সরকার গঠনের পরেই এই বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই ১১টি মৃত গাছ বাছাই করা হয়েছে। টেন্ডারও পাশ হয়ে গিয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই ওইসব গাছ কাটা শুরু হবে। ওই পরিবার জানিয়েছে, এই উদ্যোগ আগে নেওয়া হলে কি বাপনকে হারাতে হত? পরিবারের দাবি, যশোর রোডে এর আগেও বহু মানুষের প্রাণ গিয়েছে। দ্রুত বিপজ্জনক ডাল কাটা হোক।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মাথার দাম ১ কোটি, বঙ্গেই গা ঢাকা! মদনকে জেরায় মাওবাদী নেতা আকাশের তথ্য পেল পুলিশ
-
ভবানীপুরে বিজেপি কর্মীকে মারধর, মাকে শ্লীলতাহানি! পুলিশের জালে তৃণমূল নেতা
-
‘টোটো অবৈধ, এ বার ই-রিকশা’, ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের
-
বিচ্যুতি দেখলেই ‘অ্যাকশন’, ‘তোলাবাজ’ ধরতে জেলা পর্যবেক্ষকদের গুরুদায়িত্ব শমীকের!
-
যশের দ্বৈত চরিত্রে ঘায়েল দর্শক, ‘টক্সিক’-এর ট্রেলারে উঠে এল নয়ের দশকের অন্ধকার জগৎ