মানেসরের ক্যাম্প থেকে বাড়ির পথে ২৪৮ চিন ফেরত ভারতীয়

আতঙ্কের অবসান, মানেসরের ক্যাম্প থেকে বাড়ির পথে চিন ফেরত ২৪৮ ভারতীয়

করোনা আক্রান্ত সন্দেহে তাঁদের নজরদারিতে রাখা হয়েছিল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১২, ২০২০, ১৩:১৫

options
link
আতঙ্কের অবসান, মানেসরের ক্যাম্প থেকে বাড়ির পথে চিন ফেরত ২৪৮ ভারতীয়

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আতঙ্কের অবসান। মানেসরের করেন্টাইন ক্যাম্প থেকে সুস্থভাবে বাড়ি ফিরছেন ২৪৮ জন। তাদের দেহে করোনার উপস্থিতির লক্ষ্মণ মেলেনি।চিনের ইউহান প্রদেশে আটকে ছিলেন তাঁরা। শেষপর্যন্ত ভারত সরকার দু’টি বোয়িং বিমান পাঠিয়ে তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনে। তারপর থেকে টানা ১৪দিন মানেসরের করেন্টাইন ক্যাম্পে ছিলেন তাঁরা। চলছিল নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা।এদিকে জাপানে আটকে থাকা ডায়মন্ড প্রিন্সেস জাহাজে আরও ৮৮জন নতুন করে সংক্রামিত হয়েছেন। যার জেরে আতঙ্ক মাথাচারা দিয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন : জামিয়া কাণ্ডে চার্জশিট পেশ পুলিশের, মূল অভিযুক্ত শারজিল ইমাম]

মানেসর ক্যাম্প থেকে ভারতীয়দের বাড়ি ফেরা প্রসঙ্গে মেজর জেনারেল আর দত্ত বলেন, “সকলেই সুস্থ আছেন। তাঁদের একাধিক দলে ভাগ করে রাখা হয়েছিল। একদল চিকিৎসক তাদেক প্রতিদিন পরীক্ষা করে দেখেছে।” আপাতত তাঁরা বাড়ি ফিরছেন বলেই খবর। 

[আরও পড়ুন : জামিয়া কাণ্ডে চার্জশিট পেশ পুলিশের, মূল অভিযুক্ত শারজিল ইমাম]

প্রসঙ্গত, আইসোলেশন সেন্টারে পড়ুয়াদের তিনটি দলে বিভক্ত করে পরীক্ষা করে রাখা হয়েছিল। প্রথম দলটিতে ছিলেন, যাদের দেহে লক্ষণ জ্বর বা সর্দি অথবা শ্বাসকষ্টের মতো লক্ষণ মিলেছিল। তাদের তৎক্ষণাৎ দিল্লি ক্যান্টনমেন্টের আইসোলেশন ওয়ার্ডে পাঠানো হয়। দ্বিতীয় দলে ছিলেন সেই পড়ুয়ারা, যাঁদের মধ্যে রোগের লক্ষণ ছিল না অথচ তাঁরা সিফুড খেয়েছিলেন কিংবা পশু বাজারে গিয়েছিলেন। অথবা গত ১৪ দিনের মধ্যে সংক্রমণের লক্ষণযুক্ত কোনও চিনা ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছেন। তৃতীয় দলে ছিলে্ন, অপেক্ষাকৃত নিরাপদরা। যাঁদের মধ্যে কোনও ‌লক্ষণ নেই কিংবা তাঁরা কোনও সংক্রমণের লক্ষণযুক্ত চিনা ব্যক্তির সংস্পর্শেও আসেননি।তিন দলের সকলেই ত্রিস্তরীয় মাস্ক পরে ছিলেন বলে খবর। ১৪ দিন পরে যাঁদের মধ্যে কোনও লক্ষণ দেখা যাবে না, তাঁদের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু বাড়ি চলে গেলেও তাঁরা জেলা অথবা রাজ্য স্তরের নজরদারিতে থাকবেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন