Andhra Pradesh

অন্ধ্রের সরকারি হাসপাতালে ১৪ রোগীর মৃত্যু, অক্সিজেনের অভাবকেই দায়ী করছে পরিবার

সরকারি হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে রোগী মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২২, ১৬:০৪

options
link
অন্ধ্রের সরকারি হাসপাতালে ১৪ রোগীর মৃত্যু, অক্সিজেনের অভাবকেই দায়ী করছে পরিবার
প্রতীকী চিত্র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অন্ধ্রপ্রদেশের (Andhra Pradesh) অনন্তপুর গভর্নমেন্ট জেনারেল হাসপাতালে অক্সিজেনের (oxygen) অভাবে অন্তত ১৪ জন রোগীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। মৃতদের মধ্যে ৬ জন অর্থোপেডিক, ৪ জন বক্ষ বিভাগ এবং বাকি চার জন আইসিইউতে ভরতি ছিলেন। আইসিইউতে প্রায় ১৮০ জন রোগী ভরতি ছিলেন। অক্সিজেনের অভাব তাঁদের উপর পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করা হয়েছে।

Advertisement

একের পর এক রোগীর মৃত্যুর খবর সামনে এলেও জেলা প্রশাসনের তরফে অক্সিজেনের ঘাটতির কথা স্বীকার করা হয়নি। জেলা প্রশাসনের তরফে সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে দাবি করা হয়, অক্সিজেনের কোনও সমস্যা নেই। করোনায় শারীরিক সমস্যা তৈরি হওয়ার কারণেই ওই রোগীদের মৃত্যু হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন : করোনা পরিস্থিতি পর্যালোচনা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী, আলোচনা অক্সিজেন, ওষুধের চাহিদা-জোগান নিয়েও]

এদিকে অনন্তপুরের বিধায়ক অনন্ত ভেঙ্কটরামি রেড্ডি পরে সংবাদমাধ্যমের সামনে জানান, বেশ কয়েক জন রোগীর আত্মীয় তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। হাসপাতালে রোগীদের জন্য অক্সিজেন লেভেল কমে যাওয়ার অভিযোগ পান তিনি। সঙ্গে সঙ্গে তিনিও বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গোচরে আনেন। কিন্তু প্রথমে হাসপাতালের তরফে অক্সিজেন কম থাকার কথা স্বীকারই করা হয়নি। কিন্তু একের পর এক রোগীর মৃত্যু শুরু হওয়ার পরই হাসপাতালের তরফে অক্সিজেন অপ্রতুলতার কথা স্বীকার করা হয় বলে জানিয়েছেন বিধায়ক।

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় টালমাটাল ওড়িশা, সংক্রমণ রুখতে জারি লকডাউন]

সকাল থেকে একের পর এক রোগী মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসার পর সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিরা হাসপাতালে যান। অক্সিজেন সাপ্লাই স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেন। কিন্তু রাত ৯টার আগে অক্সিজেন সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। পরে জেলাশাসকও যান হাসপাতালে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.