করোনার দাপট

করোনার লাগামছাড়া সংক্রমণে জর্জরিত ইটালি, একদিনের মৃত্যু ৬০২ জনের

পরিস্থিতি হাতের বাইরে, স্বীকার ইটালির প্রধানমন্ত্রীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০২০, ১০:০৯

options
link
করোনার লাগামছাড়া সংক্রমণে জর্জরিত ইটালি, একদিনের মৃত্যু ৬০২ জনের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার গ্রাসের ইটালির প্রায় অর্ধেকাংশ। প্রতিদিন আক্রান্ত আর মৃত্যুর হার আর কোনও অঙ্কেই নির্ধারণ করা যাচ্ছে না। গত ২৪ ঘণ্টায় নোভেল করোনা ভাইরাসের বলি হয়েছেন ছ’শোরও বেশি ইটালীয়। এই নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬০৭৭। আক্রান্ত প্রায় ৬৪ হাজার। এই তথ্যগুলো স্রেফ একটা সংখ্যার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই আর। এসব তথ্য উদ্বেগ বাড়িয়েছে বিশ্ববাসীর। দিনদিন চরম থেকে চরমতম সতর্কবার্তা যেন দিতে চাইছে করোনার এই দাপট।

Advertisement

ইউরোপের অন্যতম শিল্প, সংস্কৃতির দেশের প্রতিটি শহর এখন যেন খাঁ খাঁ করছে। ভেনিস, মিলান, রোমের স্থাপত্যের দিকে পর্যটকদের মুগ্ধদৃষ্টি আর নেই। কোনও মানুষই তো রাস্তায় নেই। জনবহুল স্থানগুলোতে যেন শ্মশানের নিস্তব্ধতা। মারণ করোনা ভাইরাসের জুজু সকলকে ঘরবন্দি করে রেখেছে। চিনের ইউহানের পর এখন করোনার উপকেন্দ্র এখন ইটালি। সেখানে এখন ঝড়ের গতিতে নিজের দাপট দেখাচ্ছে COVID-19 জীবাণু। যার বলি ইতিমধ্যেই ৬ হাজার ছাড়িয়েছে। গত শনিবার, এদেশে মৃতের সংখ্যা ছিল সর্বাধিক – ২৪ ঘণ্টা ৭৯৩ জন। এসব পরিসংখ্যান দেখে চিন্তার ভাঁজ ক্রমশ চওড়া হচ্ছে রাষ্ট্রনেতাদের। হাজারও উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা, নাগরিক পরিষেবা সব কিছুই যেন হার মেনে গিয়েছে মারণ জীবাণুর কাছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার জের! মৃত পাকিস্তানি চিকিৎসক]

হাল ছেড়ে দিয়ে ইটালির প্রধানমন্ত্রী কন্তেও জানাচ্ছেন, সর্বশক্তিমানের হাতে সবটা ছেড়ে দেওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। তাঁরা সকলে শারীরিক এবং মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। কী করবেন কিছু বুঝে উঠতে পারছেন না। কন্তের টুইটে ঝরে পড়েছে এমনই অসহায়তা।

Advertisement

WHO’র মতে, লাগামছাড়া আকার নিয়েছে মহামারি করোনা। ইটালির ক্ষেত্রে তা চিনের থেকেও মারাত্মক আকার ধারণ করছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, চিন করোনায় বিধ্বস্ত হয়েও যেভাবে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করেছে, সেই মনের জোর ইটালিবাসীর নেই। তাই নিয়ন্ত্রণেরও কোনও চেষ্টা হচ্ছে না। একে অবহেলা, তার উপর লড়াকু মানসিকতার অভাব – জোড়া ফলায় যা হওয়ার হয়েছে ইটালিতে। আর এখানেই জনসংখ্যা অধিক হওয়া সত্ত্বেও চিন তার চেয়ে এগিয়ে গিয়েছে। এখন ইটালীয়দের একটাই মন্ত্র – Stay at Home.

[আরও পড়ুন: সাইকেলে আন্টার্কটিকা সফরে বাধা করোনা, জঙ্গলেই রাত কাটছে বাঙালি অভিযাত্রীর]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.