করোনা ভারত

পরিকাঠামোর অভাবে হচ্ছে না পরীক্ষা! ভারতে করোনার আসল সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগ

ভারতও গোষ্ঠী সংক্রমণের দিকে এগোচ্ছে না তো?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০২০, ১৭:০১

options
link
পরিকাঠামোর অভাবে হচ্ছে না পরীক্ষা! ভারতে করোনার আসল সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগ

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার (CoronaVirus) কামড়ে বিশ্বজুড়েই ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রতিদিনই প্রাণ হারাচ্ছেন হাজার মানুষ। সরকারি তথ্য বলছে, এই মুহূর্তে বিশ্বজুড়ে ভাইরাস সংক্রমিতের সংখ্যা ৪ লক্ষের কিছু কম। আর এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা সাড়ে ১৬ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। তুলনায় ভারতের পরিসংখ্যান অনেকটা স্বস্তিদায়ক। প্রথম সংক্রমণের পর সপ্তাহখানেক কেটে গেলেও দেশে আক্রান্তের সংখ্যা এখনও হাজারের অনেকটা নিচে। ইটালি, স্পেনের মত দেশগুলির তুলনায় অনেক ভাল জায়গায় আছে ভারত। অন্তত পরিসংখ্যান তাই বলছে। কিন্তু বাস্তব ছবিটা ঠিক কী? সত্যিই কি এত কম আক্রান্তের সংখ্যাটা? হয়তো না!

Advertisement

Corona Virus

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

চিকিৎসকদের অনেকেই মনে করছেন দেশে করোনা আক্রান্তের সঠিক সংখ্যাটা আমরা পাচ্ছি না। কারণ আমাদের কাছে পরীক্ষা করার মতো উপযুক্ত পরিকাঠামোই নেই। করোনা পরীক্ষার নিরিখে আমরা বিশ্বের অন্য দেশগুলোর থেকে অনেক পিছিয়ে। পরিসংখ্যান বলছে, আপাতত ভারতে সরকারিভাবে সপ্তাহে ৫ হাজার জনের মতো করোনা পরীক্ষা করার পরিকাঠামো আছে। ২২ মার্চ পর্যন্ত দেশে প্রায় ১৬ হাজার জনের পরীক্ষা হয়েছিল। সরকার কিছু বেসরকারি হাসপাতালকে করোনা পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু সেখানে পরীক্ষা করাও বেশ খরচসাপেক্ষ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনায় নেই আর্থিক প্যাকেজ, রাষ্ট্রপতি ভবন এলাকার সংস্কারে ২০ হাজার কোটি কেন্দ্রের]

ভারতে যেখানে মোটে ১৬ হাজার জনের পরীক্ষা হয়েছে, সেখানে ইটালি ২ লক্ষ ৭ হাজার জন, আমেরিকা প্রায় ১ লক্ষ ১৪ হাজার জন, দক্ষিণ কোরিয়া ৩ লক্ষ ১৬ হাজার জন এবং জার্মানি ১ লক্ষ ৬৭ হাজার জনের পরীক্ষা করে ফেলেছে ২২ মার্চ পর্যন্ত। উদ্বেগের বিষয় হল, ভারতের পরীক্ষা এবং আক্রান্তের অনুপাত এই গভীরভাবে আক্রান্ত দেশগুলোর মতোই। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে, ভারতে প্রতি ১০০০ জন পরিক্ষিতর মধ্যে আক্রান্ত হচ্ছেন ২১ জন।আমেরিকায় সংখ্যাটা ২২। অর্থাৎ, যে সমস্ত দেশ ইতিমধ্যেই গোষ্ঠী সংক্রমণের দিকে এগিয়ে গিয়েছে ভারতেও সেই সব দেশের হারেই আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ। আমরা হয়তো সবার পরীক্ষা করতে পারছি না বলেই আমাদের মোট সংখ্যাটা এতটা কম মনে হচ্ছে। তাই আগে থেকে সতর্ক হওয়াটাই একমাত্র বাঁচার উপায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.