আমিতাভ

অবশেষে স্বস্তি, করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরলেন অমিতাভ বচ্চন

কেমন আছেন অভিষেক? টুইট করে আর কী জানালেন জুনিয়র বচ্চন?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২, ২০২০, ১৭:৩৩

options
link
অবশেষে স্বস্তি, করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরলেন অমিতাভ বচ্চন

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কাজে এল হাজারো প্রার্থনা-পুজো-যজ্ঞ। অবশেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়তে পারেন বিগ বি’র অগণিত ভক্তরা। কারণ মারণ করোনা ভাইরাসকে হার মানিয়ে একেবারে সুস্থ হয়ে উঠেছেন অমিতাভ বচ্চন। তবে এখনও সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করে চলেছেন অভিষেক বচ্চন (Abhishek Bachchan)।

Advertisement

রবিবার বিকেলে টুইট করে অনুরাগীদের সুখবর দেন জুনিয়র বচ্চন। লেখেন, “আমার বাবার সর্বশেষ কোভিড পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছে। বাবাকে ইতিমধ্যেই হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আপাতত উনি বাড়িতেই বিশ্রামে থাকবেন। আপনাদের প্রার্থনা আর শুভ কামনার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।” তবে এরপরই জানান যে তিনি এখনও সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি। অভিষেক লেখেন, “কো-মর্বিডিটি থাকায় আমি এখনও করোনা পজিটিভ। তাই এখনও হাসপাতালেই থাকতে হবে। আমার পরিবারের পাশে থাকায় আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।”

সুস্থ হয়েই টুইট করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ থেকে অনুরাগী- প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন খোদ অমিতাভও।

উল্লেখ্য, চলতি মাসেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে মুম্বইয়ের নানাবতী হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন বিগ বি (Amitabh Bachchan)। সেই রাতেই জানা যায় করোনা থাবা বসিয়েছে ছেলে অভিষেকের শরীরেও। তাঁকেও একই হাসপাতালে ভরতি করা হয়। সেই সঙ্গে কোভিড পরীক্ষা হয় বাড়ির অন্যান্য সদস্যদেরও। জয়া বচ্চন, ঐশ্বর্য ও আরাধ্যার প্রথমে ব়্যাপিড টেস্ট রিপোর্ট নেগেটিভ এলেও দ্বিতীয় সোয়াব টেস্টর রিপোর্টে জানা যায় মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত মা ও মেয়ে উভয়ই। জয়া বচ্চনের রিপোর্ট অবশ্য নেগেটিভ আসে। উপসর্গহীন করোনা রোগী হওয়ায় প্রথমে ঐশ্বর্য ও আরাধ্যাকে হোম আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটনায় তাঁদেরও পরে নানাবতীতে ভরতি করতে হয়। স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়ে অনুরাগীদের। তবে গত ২৭ জুলাই করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফেরেন ঐশ্বর্য এবং আরাধ্যা। এবার করোনাকে জয় করলেন অমিতাভ বচ্চন। দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন অভিষেক, এখন এমনটাই প্রার্থনা অনুরাগীদের।  

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.