মধ্যপ্রদেশ

বিনা স্পর্শেই বাজানো যাবে মন্দিরের ঘণ্টা! সংক্রমণ রোধে নয়া বন্দোবস্ত মধ্যপ্রদেশে

মন্দির কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে খুশি দর্শনার্থীরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০২০, ১৪:০৩

options
link
বিনা স্পর্শেই বাজানো যাবে মন্দিরের ঘণ্টা! সংক্রমণ রোধে নয়া বন্দোবস্ত মধ্যপ্রদেশে

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রায় ২ মাস পর মন্দিরে প্রবেশ করতে পারছেন ভক্তেরা। প্রবেশে অনুমতি মিললেও সংক্রমণ রুখতে স্পর্শে মানা। কিন্তু মন্দিরে গিয়ে যদি ঘণ্টাই না বাজানো গেল তাহলে আর কীসের মন্দির! তাই অভিনব পন্থা বের করা হল মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh)। যাতে বিনা স্পর্শেই বাজবে ঘণ্টা।

Advertisement

মধ্যপ্রদেশের মান্দসৌরে রয়েছে পশুপতিনাথ মন্দির। মহিলাদের ভিড়ে সবসময়ই থিক থিক করত এই মন্দির চত্বর। কিন্তু লকডাউনের জেরে সেসবই এখন ইতিহাস। সংক্রমণে রোধে ভিড় এড়িয়ে ভক্তরা আসছেন মন্দিরে। তবে প্রবেশের পরই ভগবানকে উপস্থিতির জানান দিতে স্বভাবতই হাত চলে যাচ্ছে মন্দিরের ঘণ্টার দিকে। কিন্তু বাজাতে না পেরে অনেকেই হতাশ হচ্ছেন। তাই ভক্তদের ইচ্ছাপূরণে এই মন্দির কর্তপক্ষ এক নয়া পন্থা অবলম্বন করে। মন্দিরে সেন্সরযুক্ত একটি ঘণ্টা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। ফলে ঘণ্টার কাছে হাত নিয়ে গেলেই তা বাজতে থাকে, আর হাত সরালেই একেবারে চুপ।

Advertisement

বিনা স্পর্শে ঘণ্টা বাজাতে পেরে খুশি ভক্তরাও। কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জাননিয়েছেন তাঁরা।

[আরও  পড়ুন:ট্রেনের টিকিট পরীক্ষা করবে যন্ত্রমানব ‘ক্যাপ্টেন অর্জুন’, কর্মহীন হওয়ার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন টিটিইরা]

সূত্রের খবর, পশুপতিনাথের এই মন্দিরের জন্য এই ঘণ্টাটি তৈরি করেছেন এক মুসলিম প্রৌঢ়, নাহরু খান (Nahru Khan )। তাঁর কথায়, “আমি শুনলাম মন্দির, মসজিদ খুলছে। আর মসজিদে আজান দেওয়ায় যখন কোনও বাধা নেই, তখন আমার মনে হয় মন্দিরেও ঘণ্টা বাজানো উচিত। তাই ইন্দোর থেকে একটা সেন্সর আনাই। তারপর আমার কারখানায় এই ঘণ্টা তৈরি করি। এতে ৬০০০ টাকা খরচ হয়েছে। তারপর এই ঘণ্টা আমি মন্দিরে দান করেছি।”

[আরও  পড়ুন:হাতিয়ার আইনস্টাইনের বিখ্যাত উক্তি, লকডাউন নিয়ে মোদিকে বেনজির কটাক্ষ রাহুলের]

টানা ৭৬ দিন বন্ধ থাকার পর খুলেছে এই মন্দির। দর্শনার্থীরা ধর্মীয়স্থানে আসতে পেরে খুশি হয়েছেন। তবে এবার মন্দির কর্তৃপক্ষের এই অভিনব পন্থায় তাঁদের আনন্দের সীমা নেই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.