দীপঙ্কর মণ্ডল: উচ্চমাধ্যমিকের পর কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় পরীক্ষা বাতিলের প্রস্তাব দিয়েছিল রাজ্য সরকার। করোনা পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয় বলে মেনে নিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় (Calcutta University) কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত নিয়ামক কমিটি সিন্ডিকেট ভারচুয়াল বৈঠক বসে। উপাচার্য সোনালি চক্রবর্তী বন্দোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “করোনা পরিস্থিতিতে ছাত্র-ছাত্রীদের এনে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয়। পূর্ববর্তী নম্বরের ভিত্তিতে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তরের চূড়ান্ত বর্ষের ছাত্রছাত্রীদের ফল প্রকাশ করা হবে। ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সবার ফল প্রকাশিত হবে।”
রাজ্যের অগণিত স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পড়ুয়া উদ্বেগে। কীসের ভিত্তিতে তাঁদের ফলপ্রকাশ হবে তা নিয়ে কৌতূহল তুঙ্গে। রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে সুপারিশ পাঠিয়েছে উচ্চশিক্ষা দপ্তর। যাতে ফলপ্রকাশের পদ্ধতি বলা হয়েছে। সুপারিশে বলা হয়েছে, স্নাতক স্তরের পরীক্ষার্থীদের ফাইনাল সেমিস্টারের নম্বর ঠিক করা হবে দুই পর্যায়ে। আগের ৫ টি সেমিস্টারের নম্বরের ভিত্তিতে শেষ সেমিস্টারের ৮০ শতাংশ নম্বর দেওয়া হবে। বাকি ২০ শতাংশ নম্বর দেওয়া হবে ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্টের ভিত্তিতে।
[আরও পড়ুন: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস! দক্ষিণ কলকাতার বিজেপি সভাপতির বিরুদ্ধে FIR দলেরই নেত্রীর]
স্নাতকোত্তর পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও একই রীতি। কোনও পড়ুয়া যদি নিজের প্রাপ্ত নম্বরে সন্তুষ্ট না হন, তাহলে তিনি পরীক্ষা দেওয়ার জন্য আবেদন করতে পারেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই তাঁর পরীক্ষা নেওয়া হবে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সরকারের সুপারিশ মেনে নিয়েছে। বৈঠক শেষে সিন্ডিকেটের সদস্যরা জানিয়েছেন, আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের চূড়ান্ত বর্ষের ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
উল্লেখ্য, করোনা ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে শিক্ষাক্ষেত্রে। আনলকের প্রথম পর্যায় (Unlock 1) থেকেই অফিস, ধর্মস্থান-সহ একাধিক ক্ষেত্র খুলে গিয়েছে। তবু এখনও পর্যন্ত খোলেনি কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তার ফলে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় সবই বন্ধ রয়েছে। করোনা আবহের আগে মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হয়ে গিয়েছিল। যদিও পরীক্ষা ফলপ্রকাশ কবে হবে, তা নিয়ে দোলাচল রয়েছে। তবে উচ্চমাধ্যমিকের তিনটি পরীক্ষা বাকি ছিল। সেই তিনটি পরীক্ষা নেওয়ার জন্য দিন চূড়ান্তও করা হয়েছিল। যদিও পরে পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে স্থগিত হয়ে যাওয়া তিনটি পরীক্ষাই বাতিল করে দেওয়া হয়। হয়ে যাওয়া পরীক্ষাগুলির মধ্যে যেটিতে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে, তার ভিত্তিতেই পড়ুয়াকে বাকি তিনটি পরীক্ষা নম্বর দেওয়া হবে। এবার করোনার কোপে বাতিল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় পরীক্ষাও।
[আরও পড়ুন: ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর কাজ শুরুর পরই বউবাজারে আবার ফাটল, কর্তৃপক্ষের জবাব তলব হাই কোর্টের]
সর্বশেষ খবর
-
পূর্বজন্মের পাপেই সমস্যায় জর্জরিত জীবন! জানেন কোন অন্যায়ের শাস্তি পাচ্ছেন?
-
পহেলগাঁও হামলার মাস্টারমাইন্ড, পাকিস্তানে হাফিজকে সমন পাঠানোর প্রস্তুতি বিদেশমন্ত্রকের
-
মহেশতলার নামী স্কুলে আহত বোনপো, আড়ালের চেষ্টা কর্তৃপক্ষের! সাবধানীবার্তা শ্রাবন্তীর
-
সামনে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ, তার আগে লাল বলের ক্রিকেটে অগ্নিপরীক্ষা বৈভবের
-
‘বিরোধীদের সঙ্গে এরকমই হবে’, অভয়া মামলায় জামিন না পেয়ে সরকারকে দুষছেন নির্মল!