Rapid test kit

দুই চিনা সংস্থার টেস্ট কিট ‘কাজের অযোগ্য’, বরাত বাতিল করল কেন্দ্র

দেশে টেস্ট কিটের জোগান পর্যাপ্ত রয়েছে, জানাল স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০২০, ১৮:১৪

options
link
দুই চিনা সংস্থার টেস্ট কিট ‘কাজের অযোগ্য’, বরাত বাতিল করল কেন্দ্র
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা আবহেও টেস্ট কিট নিয়ে টানাপোড়েন অব্যাহত। এই কিট কেনা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগও উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে চিনের সংস্থার থেকে যে পরীক্ষার কিট কেনার বরাত দেওয়া হয়েছিল, তা বাতিল করেছে ভারত। এখনও পর্যন্ত তাদের টাকা দেওয়া হয়নি, ফলে এক টাকাও অপচয় হবে না বলে সোমবার জানাল কেন্দ্র সরকার। করোনা ভাইরাস (Coronavirus) পরীক্ষায় গুয়াংঝাউ ওন্ডফো বায়োটেক এবং ঝুয়াই লিভজোন ডায়াগোনস্টিকের তৈরি কিটকে ‘কাজের অযোগ্য’ বলে ঘোষণা করেছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ। এই দুই চিনা সংস্থার তৈরি কিট ব্যবহার না করার জন্য রাজ্য ও হাসপাতালগুলিকে জানিয়েছে তারা। একইসঙ্গে কিটগুলি দ্রুত কেন্দ্রের কাছে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশে ব়্যাপিড টেস্ট বন্ধ হয়ে আছে। স্বাভাবিকভাবেই টেস্ট কিটের যোগান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এ প্রসঙ্গে এ দিন স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লব আগরওয়াল বলেন, “আমাদের কাছে কিটের পর্যাপ্ত যোগান রয়েছে। শুধু তাই নয়, দেশের সর্বত্র সমান সংখ্যক কিটের যোগান রয়েছে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন : আক্রান্তদের সুস্থ করতে প্লাজমা দিচ্ছেন করোনামুক্ত ৩০০ জন তবলিঘি জামাত সদস্য]

এদিন দেশে করোনা আক্রান্ত, মৃত ও সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীদের পরিসংখ্যানো দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যুগ্ম সচিব। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৩৯৬ জন সংক্রামিত হয়েছেন। ফলে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৭,৮৯২। একদিনে দেশে সুস্থ হয়েছেন ৩৮১ জন। ফলে দেশে মোট করোনা যুদ্ধজয়ীর সংখ্যা দাঁড়াল ৬১৮৪। যা নিসন্দেহে প্রশংসনীয়। সরকারি তথ্য বলছে, দেশে করোনা রোগীদের সুস্থ হয়ে ওঠার হার ২২.১৭ শতাংশ।

[আরও পড়ুন : লুডো খেলায় বারবার জিতছেন স্ত্রী, রাগে বধূর শিরদাঁড়া ভেঙে দিলেন স্বামী!]

লব আগরওয়াল আরও জানান, গত ১৪ দিনে দেশের ৮৫টি জেলা থেকে নতুন করে আক্রান্ত হওয়ার খবর মেলেনি। এর আগে দেশের গত ২৮ দিনে দেশের ১৬টি জেলায় সংক্রমণের খবর ছিল না। সেই তালিকায় আরও তিনটি নাম যুক্ত হয়েছে বলে জানান তিনি। এর মধ্যে রয়েছে মহারাষ্ট্রের গন্ডিয়া, কর্ণাটকের দেভাঙ্গরে ও বিহারের লক্ষ্মীসরাই।

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে করোনা আক্রান্তদের অচ্ছুৎ করে রাখা হচ্ছে, এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব। এই ধারণা বদলাতে প্রচার অভিযান চালানো হবে বলেও জানান তিনি। তাঁর কথায়, করোনাকে হারিয়ে সেরে ওঠা রোগীরা দেশের সম্পদ। তাঁদের প্লাজমা করোনাকে হারাতে প্রয়োজনীয় উপাদান।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.