Coronavirus

উধাও সাময়িক স্বস্তি, রাজ্যে ফের সামান্য ঊর্ধ্বমুখী করোনা গ্রাফ

সংক্রমণ, মৃত্যুর হারের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ল সুস্থতাও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২১, ২০:৩২

options
link
উধাও সাময়িক স্বস্তি, রাজ্যে ফের সামান্য ঊর্ধ্বমুখী করোনা গ্রাফ
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাময়িক স্বস্তির পর সপ্তাহের মধ্যভাগে ফের রাজ্যের করোনা গ্রাফে বাড়ল উদ্বেগ। স্বাস্থ্যদপ্তরের সাম্প্রতিকতম পরিসখ্যান অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বাংলার (West Bengal) দৈনিক করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় নতুন করে করোনা ভাইরাসে (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছে ৪১৬ জন, বুধবার যা ছিল ৪০৯। একদিনে করোনার বলি রাজ্যের ৯ জন, গতদিন এই সংখ্যা ছিল ৬। ফলে সামগ্রিকভাবে করোনার থাবা খানিকটা চওড়া হয়েছে রাজ্যে। তবে সুস্থতার হারও বেড়েছে। এই মুহূর্তে রাজ্যে করোনামুক্তির হার পেরিয়ে গিয়েছে ৯৭ শতাংশ।

Advertisement

স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা ৫ লক্ষ ৬৬ হাজার ৪৮২। এর মধ্যে অ্যাকটিভ রোগী ৬৫৬৫, যা বুধবারের তুলনায় ১১০ কম। করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়েছেন রাজ্যের মোট ৫ লক্ষ ৫০ হাজার ২৪৪ জন। আর করোনার বলি মোট ১০ হাজার ৮৯। রাজ্যে গত ২৮ ঘণ্টায় করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৮,২৯৩, যার মধ্যে ৭.৩১ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রাণ বাঁচিয়েছে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড, সুস্থ হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ বালুরঘাটের কেবলকর্মী]

জেলার করোনা পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে, এখনও সংক্রমণের শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা। এই জেলায় মোট অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ১৭০৫। তুলনায় কলকাতার অবস্থা অনেক ভাল। কলকাতা অ্যাকটিভ করোনা রোগী এই মুহূর্তে ১২৯০। করোনাযুদ্ধে সবচেয়ে এগিয়ে দুই জেলা – আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং। দুই জেলাতেই অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা চল্লিশেরও কম।

Advertisement

[আরও পড়ুন: দলের মহিলা কর্মীকে ‘কুপ্রস্তাব’, অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে পঞ্চায়েত অফিসে বিক্ষোভে বিজেপি]

গত সপ্তাহ থেকে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে করোনার বিরুদ্ধে টিকাকরণ কর্মসূচি। রাজ্যেও এ নিয়ে বেশ কয়েকদিন টিকাদান পর্ব চলেছে। তারই মাঝে করোনা সংক্রমণ নিম্নমুখী হওয়ায় আশা আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠছিল। কিন্তু সেই সাময়িক স্বস্তি ফের উধাও। বরং গত ২৪ ঘণ্টায় দৈনিক সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার বৃদ্ধি নতুন করে চিন্তা বাড়াল স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ থেকে আমজনতা, সকলের। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.