সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা হাসপাতালগুলিতে চিকিৎসা ও পরিষেবার মান নিয়ে অভিযোগের শেষ নেই। কোথাও মিলছে না পর্যাপ্ত অক্সিজেন, কোথাও আবার বেমালুম জীবিত রোগীকেই মৃত ঘোষণা করে আত্মীয়ের কাছে ফোন যাচ্ছে। এছাড়া, হাসপাতালগুলিতে বিল নিয়ে বাড়াবাড়ি রয়েইছে। এহেন পরিস্থিতিতে ব্যতিক্রমী ছবি দেখতে পাওয়া গেল শ্রীরামপুরের শ্রমজীবী হাসপাতালে। সেখানে পাওয়া পরিষেবায় মুগ্ধ হয়ে হাসপাতালকেই ১০ হাজার টাকা দান করলেন এক করোনা রোগী।
[আরও পড়ুন: দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে রাজ্যের করোনা গ্রাফ, পরপর ২ দিন বাড়ল দৈনিক সংক্রমিতের সংখ্যা]
শুনতে অবাক লাগলেও, নিজের এই ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতার কথা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানিয়েছেন বৈদ্যবাটির মিতালি জানা। গত নভেম্বরে মাসে করোনা আক্রান্ত হয়ে ওই হাসপাতালে ভরতি হয়ে ছিলেন তিনি। দশ দিন সেখানে চিকিৎসাধীন থাকালীন চিকিৎসক ও কর্মীদের সেবায় দ্রুত রোগমুক্ত হন তিনি। মিতালির কথায়, “পরিষেবা খুব ভাল। আমি রীতিমতো আনন্দিত। এভাবে পরিষেবা পাব বলে ভাবিনি।” তারপর, গত ৪ জানুযারি নিজের অভিজ্ঞতার কথা লিখিতভাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানান তিনি। সঙ্গে খুশি হয়ে পাঠান দশ হাজার টাকার চেক। যা হাসপাতালের জন্য খরচ করতে বলেছেন তিনি। মিতালিদেবীর এই কাজে খুশি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও। হাসপাতাল সূত্রে বলা হয়েছে, কোভিড পরিস্থিতিতে এই বার্তা ও উপহার কর্মীদের মনোবল বাড়িয়েছে। নিজেদের কাজের প্রতি আস্থা অর্জন করেছেন কর্মীরা।
এদিকে, শ্রমজীবী হাসপাতালে কর্মীরা বেতন পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন। হাপাতালের পক্ষে গৌতম সরকার জানান, সরকারের কাছে আট কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। অক্টোবরের পরে সরকার কোনও টাকা না দেওয়ায় কর্মীদের বেতন দেওয়া যাচ্ছে না। ৬ জানুয়ারি বেলুড় শ্রমজীবী থেকে কিছু টাকা এনে আংশিক বেতন দেওয়া হয়েছে। সময়মতো মাইনে না পেয়েও রোগীদের প্রতি যে সেবাভাব নিয়ে চিকিৎসক ও অন্য স্বাস্থ্যকর্মীরা পরিষেবা দিয়ে যাচ্ছেন তা সত্যিই অতুলনীয়।
[আরও পড়ুন: EXCLUSIVE: অভ্যন্তরীণ সমীক্ষায় বাঁকুড়া জয়ের আশা দেখছে না তৃণমূল! চিন্তা পুরুলিয়া নিয়েও]
সর্বশেষ খবর
-
মিশরকে ডাকাতি করে হারানো হয়েছে! এবারে মেসিদের জয়ে নিউ ইয়র্কের মেয়র মামদানিরও
-
ফের ভূমিধসে অবরুদ্ধ ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক, তীব্র যানজটে আটকে বহু পর্যটক
-
২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যাঙ্কে জমা হবে দান, তারাপীঠ মন্দিরেও এবার ডিজিটাল লেনদেন
-
সরকারি চাকরির লোভ, ভাড়াটে খুনি লাগিয়ে মা’কে খুন মেয়ের! তারপর…
-
জলের তোড়ে ভেসে যাচ্ছে হাজার হাজার গ্যাস সিলিন্ডার, সংকটের মধ্যে মহারাষ্ট্রে উদ্বেগ