Bangladesh

Coronavirus: এক সপ্তাহে সংক্রমণ বৃদ্ধি ১১৫ শতাংশ! করোনার জোরাল কামড় বাংলাদেশে

বাংলাদেশে ওমিক্রন আক্রান্তদের বেশিরভাগই সুস্থ রয়েছেন, জানালেন স্বাস্থ্য অধিকর্তা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২২, ১৮:৪১

options
link
Coronavirus: এক সপ্তাহে সংক্রমণ বৃদ্ধি ১১৫ শতাংশ! করোনার জোরাল কামড় বাংলাদেশে

সুকুমার সরকার, ঢাকা: নতুন বছরের গোড়া থেকেই ফের করোনা ভাইরাসের (Coronavirus) চোখরাঙানির মুখে পড়েছে গোটা বিশ্ব। মারণ ভাইরাসের নতুন একাধিক স্ট্রেন আমজনতার ঘুম কেড়েছে। সংক্রমণ বাড়ছে বাংলাদেশেও (Bangladesh)। গত এক সপ্তাহে সে দেশের কোভিড গ্রাফ কার্যত লাফিয়ে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। রবিবার বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তরফে এক সাংবাদিক সম্মেলনে দেওয়া হয়েছে সেই পরিসংখ্যান। বলা হচ্ছে, গত এক সপ্তাহে দেশে করোনা সংক্রমণ বেড়েছে ১১৫ শতাংশ!

Advertisement

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের আধিকারিক ডাক্তার নাজমুল ইসলাম রবিবার সাংবাদিক বৈঠকটি করেন। তিনি জানান, গত সপ্তাহে করোনায় ২৩ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এই হার আগের সপ্তাহের তুলনায় ১৫ শতাংশ বেশি। দেশে গত কয়েক দিনে করোনা রোগী শনাক্তকরণের হার বাড়ছে। ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকেও শনাক্তের হার ২ শতাংশের নিচে ছিল। শনিবার পর্যন্ত এটি প্রায় ৬ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ওমিক্রনের দাপট বাড়তেই বাংলাদেশে মাথাচাড়া দিল অসাধু ব্যবসা, বিমানের ভাড়া বাড়ল চারগুণ]

নাজমুল ইসলামের আরও বক্তব্য, ”গত ৩০ দিনের করোনা গ্রাফের দিকে তাকালে চোখে পড়ে, তা ক্রমশই ঊর্ধ্বমুখী। গোটা বিশ্বের করোনা পরিস্থিতি দিনদিন অবনতির দিকে যাচ্ছে। ইউরোপে ওমিক্রন নামের স্ট্রেনটি ব্যাপক প্রকোপ দেখা দিয়েছে।” তবে আশার কথাও শুনিয়েছেন তিনি। ওমিক্রনে (Omicron) আক্রান্ত রোগীদের বেশিরভাগেরই তেমন কোনও শারীরিক সমস্যা নেই। যথাসময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে দ্রুত রোগ সারানো সম্ভব বলে মনে করেন স্বাস্থ্য আধিকারিক নাজমুল ইসলাম। করোনার বাড়তে থাকা সংক্রমণ রুখতে ফের জনসচেতনতা বৃদ্ধি, মাস্ক ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার গুরুত্ব তুলে ধরেন ডাক্তার নাজমুল।

Advertisement

[আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা নিয়ে ঢাকার উপর চাপ ইস্তাম্বুলের, উখিয়ার শিবির ঘুরে গেলেন তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী]

এদিকে, কোভিড (COVID-19) সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি বন্ধ করে দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে দ্রুতই সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে সে দেশের প্রশাসন। যদিও এই সংক্রান্ত কোনও গুজবে কান না দেওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মণি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.