Marriage

করোনা কালে অভিনব কায়দায় বিয়ে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে এ কী করলেন দম্পতি?

দেখুন অভিনব সেই বিয়ের ভিডিও।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৮, ২০২০, ১২:৪৯

options
link
করোনা কালে অভিনব কায়দায় বিয়ে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে এ কী করলেন দম্পতি?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা কালে বিয়ের নিয়মকানুন আমূল বদলে গিয়েছে। কেউ বিয়ে স্থগিত রাখছে তো কেউ আবার রেজিস্ট্রি করে বিয়ে মেটাচ্ছেন। কেউ কেউ আবার ভিডিও কলের মাধ্যমে চার হাত এক করছেন। নিউ নর্মালে বিয়ের ধরন-ধারনই বদলে গিয়েছে। এমন আবহে দুই ভিন্ন দেশের পাত্রপাত্রী বিয়ে কী সম্ভব? আমেরিকা-কানাডার পাত্রপাত্রীর মধ্যে শুধু বিয়েই যে হল তা নয়, হাজির থেকে আশীর্বাদ দিলেন আত্মীয়রাও। কীভাবে এমনটা সম্ভব হল?

Advertisement

আমেরিকার বাসিন্দা পাত্রী লিন্ডসে আর কানাডার পাত্র অ্যালেক্স। দুজনে বিয়ে করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু বাদ সাধল করোনা। এদিকে কানাডা সীমান্তে কড়া নজরদারি চলছে। দু’দেশের মধ্যে যাতায়াত সম্ভব নয়। বিয়েতে লিন্ডসের পরিবার হাজির থাকতে পারবেন না। তাহলে উপায় কী?

Advertisement

ওই যে কথায় আছে, ইচ্ছে থাকলেই উপায় হয়। তাই কানাডা-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সীমান্ত লাগোয়া এলাকার একটি জেটিতে বিয়ে সারলেন দুজন। সীমান্তের ওপাড়ের জেটিতে থেকে তাঁদের শুভেচ্ছা জানাল লিন্ডশের আত্মীয়রা। যদিও পাত্রীর বাবা-মা বোটে চেপে কানাডার কাছাকাছি হাজির হয়েছিলেন। কিন্তু জেটিতে ওঠেননি। সর্ব সাকুল্যে মোট ৩০ জন আত্মীয়রা উপস্থিত হয়েছিলেন। বাকিদের জন্য ছিল ফেসবুক লাইভ স্ট্রিমিং-এর ব্যবস্থা। তাঁদের বিয়ের এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। প্রশংসা কুড়িয়েছে নেটিজেনদের।

Advertisement

[আরও পড়ুন : চিনের পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে মামলা না তুললে আমেরিকানদের আটকের হুমকি বেজিংয়ের]

পাত্রী লিন্ডসে জানাচ্ছেন, “করোনা আবহে বিয়ে সারতে হত। অথচ পরিবারের কেউ তাতে থাকবে না ভেবে মন খারাপ হয়ে গেছিল। তখনই এই বুদ্ধিটা মাথায় আসে। মা কে ফোন করে জানানোর পর স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া হয়।” বিয়েতে হাজির আত্মীয়রাও নব দম্পতির বুদ্ধির প্রশংসা করছেন। 

[আরও পড়ুন : প্যারিসের শিক্ষককে চিনতে স্কুলে এসেছিল হত্যাকারী, চিনিয়ে দিয়েছিল পড়ুয়ারাই]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.