গৌতম ব্রহ্ম: আরও একটি করোনা পরীক্ষা কেন্দ্র পেল রাজ্য। এবার স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনেও(School of Tropical Medicine) হবে করোনা নির্ণায়ক সোয়াব টেস্ট। সোমবার থেকেই এই পরীক্ষা শুরু হবে। ইতিমধ্যেই এক হাজার টেস্ট-কিট পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে সেখানে। জানা গিয়েছে, কোভিড-১৯ পরীক্ষা করার জন্য যে বায়ো সেফটি ল্যাব দরকার তা রয়েছে ট্রপিক্যালের। তাই এই সিদ্ধান্ত।
এখন রাজ্যের দু’ জায়গায় কোভিড-১৯ পরীক্ষা হয়। একটি বেলেঘাটা নাইসেড। অন্যটি এসএসকেএম (পিজি) হাসপাতাল। নাইসেডে এ পরীক্ষা করার সাতটি মেশিন রয়েছে। এখন দু’টি মেশিন কাজ করছে। প্রয়োজনে বাকিগুলিও কাজে লাগানো হবে। সব মেশিন কাজ করলে রোজ সাড়ে পাঁচশো সোয়াব টেস্ট করতে পারবে নাইসেড। কিন্তু পরিস্থিতি যে দিকে এগোচ্ছে তাতে সোয়াব পরীক্ষার সংখ্যা উত্তোরত্তর বাড়বে। তাই নতুন করে পরীক্ষাকেন্দ্র তৈরি করা বড়ই জরুরি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়গনস্টিক সেন্টারগুলিকেও এগিয়ে আসার আহ্বান করেছেন।
[আরও পড়ুন: কতটা দূরত্ব রেখে কেনাকাটা, জানবাজারের রাস্তায় ‘লক্ষ্মণরেখা’ টেনে বুঝিয়ে দিলেন মমতা]
জানা গিয়েছে, সাতটি ‘এনএবিএইচ’ কেন্দ্রকে অনুমতি দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে মোট দশটি করোনা নির্ণয় কেন্দ্র পাবে রাজ্য। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী করোনা মোকাবিলায় কোয়ারেন্টাইন সেন্টার, আইসোলেশন ওয়ার্ড ও পরীক্ষা কেন্দ্র, তিন ধরণের পরিকাঠামো সম্প্রসারিত করার পরিকল্পনা নিয়েছেন। তারই অঙ্গ হিসাবে ট্রপিক্যালে পরীক্ষা কেন্দ্র তৈরির সিদ্ধান্ত। যদিও সমস্যা রয়েছে। এক হাজার কিট পৌঁছলেও সোয়াব লালারস পরিবহণকারী ভিটিএম কিটের বড় আকাল। এই মুহূর্তে মাত্র দেড়শোটি ভিটিএম (ভাইরাস ট্রান্সপোর্ট মিডিয়া) রয়েছে। তার থেকেও মাঝে মাঝেই ভাগ দিতে হচ্ছে আইডিকে। ট্রপিক্যাল এবং নাইসেড, দু’পক্ষেরই বক্তব্য, কিটের পাশাপাশি এই ভিটিএম কিটও চাই।
[আরও পড়ুন: আটকে পড়া বাংলার শ্রমিকদের সাহায্যের আবেদন, ১৮ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি মমতার]
সর্বশেষ খবর
-
৫ বছর ধরে বৃদ্ধের অ্যাকাউন্টে বিধবা ভাতা! তদন্তে প্রশাসন
-
নেপালে ‘জলদানবে’র হাঁ-মুখের সামনেও অটুট ‘গ্রিন হাউস’, ভাইরাল অক্ষত বাড়ির ভিডিও
-
চাপের মুখে ভারতের সাহায্য নিতে রাজি নেপাল, আটকে পড়া ভারতীয়দের হাল-হকিকত জানাল দিল্লি
-
‘মমতার অধঃপতন হয়েছে’, দল ছেড়ে প্রথম কর্মসূচিতেই তৃণমূলনেত্রীকে নিশানা কাকলির
-
‘ককরোচ’-সহ পড়ুয়াদের আন্দোলনই ‘টার্নিং পয়েন্ট’, সিপিএমের প্লেনামে নতুন পথের হদিশ