সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের নতুন করে চোখ রাঙাচ্ছে করোনা (Coronavirus)। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে সংক্রমিত হয়েছেন ৩৬২ জন। যা গতকাল শুধুই নয়, কয়েকমাসের মধ্যে সর্বাধিক। এই কোভিড গ্রাফ যে নতুন করে রাজ্যবাসীর কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে, তা বলাই বাহুল্য।
রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যজুড়ে করোনায় (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছেন ৩৬২ জন। আগেরদিন এই সংখ্যাটা ছিল ২৮৮ জন। এদিনও সংক্রমণের নিরিখে শীর্ষ কলকাতা। একদিনে তিলোত্তমায় মোট ১৩৯ জন করোনা সংক্রমিত হয়েছেন। সংক্রমণের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে থাকা উত্তর ২৪ পরগনায় করোনা আক্রান্ত ১০৫ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩১। ফলে রাজ্যের মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২০ লক্ষ ২১ হাজার ৯১৭। এদিন করোনা প্রাণ কেড়েছে রাজ্যের একজনের। ফলে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন মোট ২১ হাজার ২০৮ জন। মৃত্যুহার ১.০৫ শতাংশ।
[আরও পড়ুন: ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর খবরের জের, বাঁকুড়ার শিকলবন্দি যুবককে হাসপাতালে পাঠাল পুলিশ]
এদিকে এদিন রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণের হার বা পজিটিভিটি রেট দাঁড়িয়েছে ৩.৫০ শতাংশ। আগের দিনের চেয়ে বেশ খানিকটা বেড়েছে সংক্রমণের হার। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ১০ হাজার ৩৩৭ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। সংক্রমণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঊর্ধ্বমুখী বাংলার অ্যাকটিভ করোনা কেসও। গত ২৪ ঘণ্টায় অ্যাকটিভ কেস ১৯১৩।
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৭৩ জন। যা আগেরদিনের তুলনায় সামান্য বেশি। এখনও পর্যন্ত রাজ্যের মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৯ লক্ষ ৯৮ হাজার ৭৯৬। সুস্থতার হার ৯৮.৮৬ শতাংশ। উল্লেখ্য, গত ২০২০ সালে করোনার দাপটে প্রায় স্তব্ধ হয়ে যায় গোটা বিশ্ব। চলতি বছরের শুরু থেকে ধীরে ধীরে আয়ত্তে এসেছিল পরিস্থিতি। তবে বর্তমান কোভিড গ্রাফ নতুন করে বাড়াচ্ছে।
[আরও পড়ুন: বন্যাবিধ্বস্ত কোচবিহারে পথ ভুলে গ্রামে ঢুকল জোড়া হাতি, আতঙ্কের পাশাপাশি বিস্মিত বাসিন্দারা]
সর্বশেষ খবর
-
পর্দায় নগ্ন, ‘টক্সিক’ হয়ে জুটেছে ‘অ্যানিম্যাল’ তকমা, কিয়ারা অন্তঃসত্ত্বা জেনে সেই যশই কেন কেঁদে ফেলেন?
-
চিনির পর পিঁয়াজ কিনতেও চোখে জল, সমস্যা সমাধানে ‘কান্দা এক্সপ্রেস’ চালু করছে মোদি সরকার
-
ফের ২১ দিনের ছুটি মঞ্জুর! ৩ মাসের ব্যবধানে আবারও জেলমুক্তি ধর্ষক রাম রহিমের
-
যাদবপুর কাণ্ডের তদন্তে ক্যাম্পাসে পুলিশ, কথা বলেন রেজিস্ট্রারের সঙ্গে
-
আঁধারে ডুবেছে বাংলাদেশ! বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকটে বন্ধ শতাধিক বস্ত্র কারখানা