সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা মোকাবিলায় ঝাঁপিয়ে পড়েছে রাজ্য। সংক্রমণ অনেকটাই বাগে আসা সত্ত্বেও রাজ্যে জারি রয়েছে বিধিনিষেধ। তার সুফলও মিলছে প্রতিদিনই। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত হয়েছেন ৮৩১ জন রাজ্যবাসী। পজিটিভিটি রেট করে ১.৫০ শতাংশ। যা নিঃসন্দেহে সুখবর। একদিনে করোনার বলি ১৪ জন।
স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে ৯৬ জন উত্তর ২৪ পরগনার। অর্থাৎ দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে প্রথম স্থানে ওই জেলা। এদিনও একশোর দোরগোড়ায় দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। দ্বিতীয় স্থানে পূর্ব মেদিনীপুর। একদিনে সংক্রমিত সেখানকার ৮৩ জন। তৃতীয় স্থানে ফের কলকাতা। একদিনে সেখানকার ৭৮ জনের শরীরে থাবা বসিয়েছে মারণ ভাইরাস। দার্জিলিং চতুর্থ স্থানে। সেখানে একদিনে সংক্রমিত ৭৪ জন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৫,১৪,৭০৮ জন। একদিনে করোনা প্রাণ কেড়েছে রাজ্যের ১৪ জনের। যা আগের দিনের তুলনায় সামান্য হলেও কম। নদিয়ায় করোনার বলি ৩ জন। উত্তর ২৪ পরগনা, কলকাতা ও দার্জিলিংয়ের দু’জন করে বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৭, ৯৫৮ জন। একদিনে করোনাকে পরাস্ত করে ঘরে ফিরেছেন ১,১৬১ জন।
[আরও পড়ুন: সংক্রমণ রুখতে কড়া পদক্ষেপ, এবার দার্জিলিং সফরেও বাধ্যতামূলক COVID রিপোর্ট]
উল্লেখ্য, সংক্রমণ কমছে বলে এবার সেন্টিনেল সারভিলেন্স হবে রাজ্যে। এর জন্য ২৭ টি স্বাস্থ্য জেলার বেছে নেওয়া হয়েছে ১৪ টি হাসপাতালকে। সেখানে যে সকল রোগী ও তাদের পরিবার আসবে তাঁদের লালারস সংগ্রহ করা হবে (করোনার উপসর্গ না থাকলেও)। প্রতি সপ্তাহে ৪০০ করে স্যাম্পল নেবে হাসপাতালগুলি। তাতেই বোঝা যাবে উপসর্গহীন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। সেই রিপোর্টের উপর ভিত্তি করেই করোনা মোকাবিলার আগামী পদক্ষেপ স্থির করা হবে বলেই খবর।
[আরও পড়ুন: Cororna: রাজ্যে এখনই চালু হচ্ছে না লোকাল ট্রেন, শর্তসাপেক্ষে ছাড় মেট্রো চলাচলে]
সর্বশেষ খবর
-
নিজের মন্ত্রক থেকেই কোটি টাকার ভরতুকি নিলেন খোদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, ‘দুর্নীতির নতুন পথ’, বলছে বিরোধীরা
-
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেই অ্যাকশন! বাগনানে বিজেপি কর্মী খুনে গ্রেপ্তার ১
-
এলেন-দেখলেন-জয় করলেন…., ফ্রিকিকে মেসি ম্যাজিক, জর্ডনকে উড়িয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা
-
আমেরিকার হামলার বদলা! কুয়েত-বাহরিনের মার্কিন ঘাঁটিতে গোলাবর্ষণ ইরানের, কী বললেন ট্রাম্প?
-
‘কলকাতা বইমেলা একটি সংগঠনের নয়’, প্রাঙ্গণ সবার জন্য উন্মুক্ত করতে উদ্যোগী সংঘ