হাসপাতালের আউটডোরে রোগীর ভিড়

বালাই নেই সামাজিক দূরত্বের, হাসপাতালের আউটডোরেই রোগীর ভিড় বাড়াচ্ছে উদ্বেগ

নজর নেই কর্তৃপক্ষের, কাঠগড়ায় দুর্গাপুরের ESI হাসপাতাল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২০, ১৫:৩৬

options
link
বালাই নেই সামাজিক দূরত্বের, হাসপাতালের আউটডোরেই রোগীর ভিড় বাড়াচ্ছে উদ্বেগ

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: করোনার স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করেই হাসপাতালের বর্হিবিভাগে রোজ রোগীর ভিড়। উদ্বেগজনক এই ছবি ধরা পড়ল দুর্গাপুরের ইএসআই হাসপাতালে। দিনে গড়ে ৪০০ জন রোগী এখানে ভিড় জমাচ্ছেনই। মুখে মাস্ক থাকলেও, সামাজিক দূরত্ব (Social Distance) বজায় রাখার কোনও দায়ই যেন নেই তাঁদের। সেভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে না খোদ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষই। ফলে বাড়ছে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা।

Advertisement

লকডাউনের জেরে রোগীর সংখ্যা কিছুটা কমেছে। পথেঘাটে বাধ্যতামূলক হয়েছে মাস্ক পরা। তবু সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার গুরুত্ব যেন বুঝতেই পারছেন না রোগী কিংবা তাঁর পরিবার। এ বিষয়ে উদাসীন দুর্গাপুরের ইএসআই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও। তাই আতঙ্ক বাড়ছে হাসপাতালের কর্মী থেকে চিকিৎসকদের মধ্যেও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘মরার আগে মরব কেন?’, করোনামুক্তির পর লড়াইয়ের প্রেরণা জোগালেন অশোক ভট্টাচার্য]

দুর্গাপুর ইএসআই (ESI) হাসপাতালের রোজকার ছবি খানিকটা এরকম। সকাল সাড়ে আটটা থেকে টোকেন দেওয়া হয় এখানে। ন’টা থেকে পাওয়া যায় টিকিট। আউটডোরে তখন থেকেই কার্যত পা ফেলার জায়গা থাকে না। কর্তৃপক্ষের তরফে সামাজিক দূরত্ব মেনে লাইনে দাঁড়ানোর জন্য মেঝেতে চক দিয়ে বৃত্ত এঁকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পায়ে পায়ে সেই দাগ মুছেই গিয়েছে। এরপর ১০টা থেকে আউটডোরে চিকিৎসক বসতেই যথারীতি শুরু হয়ে যাচ্ছে রোগীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি।

Advertisement
DGP-ESI-hospi-1
হাসপাতালের বহির্বিভাগে ভিড়

এই হাসপাতালে সপ্তাহে আউটডোরে মেডিসিন বিভাগে ভিড় হচ্ছে সবথেকে বেশি। প্রায় ২০০ রোগী আসেন আউটডোরে। এরপর রোগীর সংখ্যা বেশি সার্জিক্যাল আউটডোরে। ইএসআই রেজিস্ট্রেশন ও ডিসপেন্সারিতেও দৈনিক লম্বা লাইন লেগেই থাকে। এই সব বিভাগের সামনে মেঝেতে বৃত্ত নজরেই পড়ে না কারও। কর্তৃপক্ষও রোগী ও রোগীর পরিবারের সদস্যদের সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে বাধ্য করে না।

[আরও পড়ুন: প্রেম প্রস্তাবে ‘না’, মায়ের পাশে ঘুমন্ত অবস্থায় কলেজছাত্রীকে খুন করল যুবক]

গত তিনমাস ধরে করোনা আতঙ্ক নিয়ে এভাবেই চলছে দুর্গাপুরের ইএসআই হাসপাতালের পরিষেবা। চিকিৎসক ও কর্মীরা দফায় দফায় এই ব্যাপারে কর্তৃপক্ষকে সক্রিয় হওয়ার অনুরোধ করলেও তাতে কর্ণপাত করা হয়নি বলে অভিযোগ। সপ্তাহে বৃহস্পতিবার দিন অর্থোপেডিক ও সার্জিক্যাল বিভাগে আউটডোর খোলা থাকে। সেদিন প্রায় ২৫০ রোগী হাজির হন হাসপাতালে। শীঘ্রই স্বাস্থ্যবিধি মেনে আউটডোরে লাইন দেওয়া ও তার নজরদারির দাবি করেছেন হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মীরা। ইএসআই হাসপাতালের সুপার শোভন পান্ডার প্রতিক্রিয়া, “ আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। নজরদারিও করছি। কিন্তু আগে রোগীদের ও তাঁদের পরিবারকে এই ব্যাপারে সচেতন হতে হবে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন