রেল

টিকিট সংরক্ষণে এবার দিতে হবে স্বীকারোক্তি, জটিলতা এড়াতে সংযোজন রেলের

স্বীকারোক্তি না দিলে মিলবে না টিকিট।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০২০, ১৩:৩২

options
link
টিকিট সংরক্ষণে এবার দিতে হবে স্বীকারোক্তি, জটিলতা এড়াতে সংযোজন রেলের
প্রতীকী ছবি।

সুব্রত বিশ্বাস: বিশেষ এসি স্পেশ্যাল চলাচল শুরু ও করোনা সংক্রমণের আতঙ্কের জেরে টিকিট সংরক্ষণের নিয়মে বদল আনল আইআরসিটিসি। এই কর্পোরেট সংস্থা নিজেদের ওয়েবসাইটে কিছু নয়া সংযোজন এনেছে। টিকিট সংরক্ষণের সময় সংস্থার নির্ধারিত বিধিতে সহমত জানাতে হবে। তবেই পাওয়া যাবে বুকিংয়ের সুযোগ। নির্ধারিত ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে, ‘আমি আমার গন্তব্য রাজ্যের তরফে জারি করা স্বাস্থ্য সম্পর্কিত পরামর্শ পরে নিয়েছি। আমি স্বীকার করছি তা পালন করব।’ টিকিট বুকিংয়ের সময় ‘সম্মতি জানাচ্ছি’ বয়ানে ক্লিক করতে হবে। সম্মতি না জানালে টিকিট পাওয়া যাবে না।

Advertisement

[আরও পড়ুন: অমানবিক! হাসপাতালের সিঁড়িতে শুয়ে আর্তনাদ করোনা সন্দেহে ভরতি হতে আসা রোগীর]

দিল্লি থেকে ১৪ মে একটি ট্রেন বেঙ্গালুরু পৌঁছালে প্রায় পঞ্চাশ জন যাত্রী অন্য একটি বাস পর্যন্ত যাওয়ার জন্য নির্ধারিত স্টেশনে যাওয়ার দাবি তোলেন। বিক্ষোভ চরমে উঠলে যাত্রীদের দাবি মেনে ট্রেন চালান হয়। এজন্য ভাড়াও নেওয়া হয়। এর পরেই অহেতুক ঝামেলা এড়াতে বুকিংয়ের ক্ষেত্রে নির্ধারিত স্বীকারোক্তির বিষয়টি জুড়ে দেওয়া হয়। যাতে যাত্রীরা গন্তব্যে গিয়ে ঝামেলা করতে না পারেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কদিন আগেই টিকিট সংরক্ষণে আরও কিছু নিয়ম যুক্ত করা হয়েছে। যাতে যাত্রীদের সব ঠিকানা ও একাধিক ফোন নম্বর দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এতকাল একটি ঠিকানা দিলেই চলত। এবার স্থায়ী ও অস্থায়ী সব ঠিকানা ও জোগাযোগকারী সব নম্বর দিতে হবে। কারণ, যাত্রার পরবর্তী সময়ে রেল চাইলে যাতে তড়িৎ গতিতে যাত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন সেই জন্যই এই বিশেষ ব্যবস্থা। কাউন্টার টিকিট ও ই-টিকিট সবক্ষেত্রেই এটা প্রযোজ্য। নির্ধারিত বয়ান অপূর্ন থাকলে টিকিট সংরক্ষণ হবে না।

Advertisement

লকডাউন পর্যায়ে তড়িঘড়ি এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে রেলের এক আধিকারিকের বক্তব্য, ১২ মে থেকে এসি স্পেশ্যাল ট্রেন চলছে। গত সাতদিন দু’লক্ষেরও বেশি যাত্রী গন্তব্যে পৌঁছেছেন। রেলের ভাঁড়ারে এসেছে ৪৫.৩০ কোটি টাকা। তবে সমস্যা অন্যত্র, ট্রেনগুলি গন্তুব্যে পৌঁছানোর পর যাত্রীদের স্বাস্থ্যপরীক্ষা করে বারোজন কভিড-১৯ আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া যায়। পাশাপাশি বেশ কিছু ট্রেন থেকে গন্তুব্য ছাড়াও নেমে যান অনেকেই। তাঁদের খোঁজ করেও সন্ধান মেলেনি। সেই প্রেক্ষিতে রেল পরিকল্পনা নেয়, যোগাযোগের সব বিষয় সবিস্তারে জানাতে হবে। যাতে রেল চাইলেই যাত্রীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারে।

[আরও পড়ুন: বাড়িতেই পড়ুন ইদের নমাজ, ফতোয়া দারুল উলুম দেওবন্দের]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.