কোরিয়ান সিরিজ করোনা

মারণাস্ত্র করোনা! ২ বছর আগে ইঙ্গিত দিয়েছিল কোরিয়ান সিরিজ ‘মাই সিক্রেট টেরিয়াস’

সিরিজের কয়েকটি এপিসোডের সঙ্গে মিল রয়েছে বর্তমান পরিস্থিতির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০২০, ১৫:০৫

options
link
মারণাস্ত্র করোনা! ২ বছর আগে ইঙ্গিত দিয়েছিল কোরিয়ান সিরিজ ‘মাই সিক্রেট টেরিয়াস’

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে এরপ্রকার মারণ ভাইরাস। নাম ‘করোনা’। এই ভাইরাস নাকি জৈব মারণাস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

Advertisement

এই ছবি বাস্তবের নয়। একটি কোরিয়ান সিরিজের। নাম ‘মাই সিক্রেট টেরিয়াস’-এ। বছর দুই আগের এই সিরিজ এখন নেটফ্লিক্সের হট টপিক। সবচেয়ে বেশি দেখা হচ্ছে কোরিয়ান এই সিরিজটিই। কারণ আর কিছুই নয়। করোনা ভাইরাস। কোরিয়ান এই সিরিজে এমন কিছু মারাত্মক তথ্য দেখানো হয়েছে যার সঙ্গে হুবহু মিল রয়েছে বর্তমান পরিস্থিতির। আর সেই নিয়েই প্রতিনিয়ত নেটদুনিয়ায় চলছে আলোচনা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কী এমন ছিল কোরিয়ান সিরিজ ‘মাই সিক্রেট টেরিয়াস’-এ?
২০১৮ সালে মুক্তি পেয়েছিল সিরিজটি। তখন ছিল কল্পবিজ্ঞানের গল্প। কিন্তু গল্পের বিন্যাস ছিল গায়ে কাঁটা দেওয়ার মতো। যদিও করোনা ভাইরাসের বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার ঘটনার সঙ্গে ২০১১ সালের ছবি ‘কন্টাজিয়ান’-এরও অদ্ভুত মিল রয়েছে। ‘মাই সিক্রেট টেরিয়াস’-এর সঙ্গে যেন মিলটা আরও বাস্তবিক। অনেক বেশি কাকতালীয়। অন্তত তেমনটাই বলছে নেটিজেনরা। সিরিজের গল্প এক সিক্রেট এজেন্টকে নিয়ে। কোনও এক অপারেশনে অকৃতকার্য হয়ে সে নিজেকে সবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে নেয়। কিন্তু পরিস্তিতি তাঁকে বাধ্য করে আরও একটি রহস্যের অনুসন্ধানে। আচমকাই মারা যায় এজেন্টের প্রতিবেশি। তার কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়েই করোনার সঙ্গে পরিচিত হয় সে। সিরিজের প্রথম ১০টি এপিসোডের সঙ্গে কাকতালীয় মিল রয়েছে বর্তমান পরিস্থিতির। তবে নেটিজেনরা গোটা সিরিজ থেকে একটি সিকোয়োন্স শনাক্ত করেছেন যেখানে করোনা ভাইরাস নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

Advertisement

সেই ৫৩ মিনিট সময়ের মধ্যে দেখা গিয়েছে এক চিকিৎসক বলছেন, “আমাদের আরও গবেষণা প্রয়োজন। কিন্তু আমার মনে হচ্ছে এটা মিউট্যান্ট করোনা ভাইরাস।” তখন অন্য একটি চরিত্রকে বলতে শোনা গিয়েছে, “করোনা? মার্স?” উত্তরে চিকিৎসক বলেন, “মার্স, সার্স ও সাধারণ জ্বর যে পরিবারের অন্তর্ভুক্ত, সেই পরিবারেই রয়েছে এই ভাইরাস। সরাসরি আমাদের শ্বসন প্রক্রিয়ায় হামলা করে। ২০১৫ সালে মার্স ভাইরাসের প্রভাবে ২০ শতাংশের বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল।” তখনই অন্য চরিত্রটি বলে, “কিন্তু আমি যদি খুব ভুল না করি, তবে এই ভাইরাসকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। তাই না?” এরপরই চিকিৎসক বলেন, “আমি তো বললাম এটি একটি মিউট্যান্ট ভাইরাস। তাই এর শক্তি বাড়ানো যায়। কোনও বিজ্ঞানী এর শক্তি মাত্রাতিরিক্ত বাড়িয়ে দেওয়ার ফলে মৃত্যুহার বেড়ে গিয়েছে ৯০ শতাংশ।” কোরিয়ান সিরিজ ‘মাই সিক্রেট টেরিয়াস’-এর এই ফুটেজ এখন নেটদুনিয়ায় চর্চার বিষয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.